Published : 10 Apr 2026, 09:54 PM
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেছেন, পাকিস্তানে শনিবার যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠক শুরুর আগে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত বাস্তবায়ন হতে হবে। এর একটি হল লেবাননে যুদ্ধবিরতি করা এবং অন্যটি ইরানের জব্দ হওয়া সম্পদের ছাড়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ কালিবাফ বলেন, দুই পক্ষের (যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান) মধ্যে পারস্পরিকভাবে এই শর্তগুলোতে মতৈক্য হওয়ার পরও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত আলোচনা শুরু হবে না।
গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতা এবং চীনের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান।
যুদ্ধবিরতির শর্ত এবং মেয়াদ চূড়ান্ত করতে শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দু’পক্ষের বৈঠক হওয়ার কথা।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকেই লেবানন এই বিরতিতে আছে না নেই তা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ শুরু হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলছে, লেবানন আছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তা অস্বীকার করছে।
ইসরায়েল ইরানে হামলা বন্ধ করলেও লেবাননে অভিযান চালিয়েই যাচ্ছে। তেহরান একে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে দাবি করে আসছে।
লেবাননে হামলা এবং কয়েকশ প্রাণহানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ইরান বলেছে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। তারা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ফের বন্ধ এবং ইসরায়েলে পাল্টা হামলার হুমকিও দেয়।
এর মধ্যেই এবার ইরান ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকের আগে দিয়ে তাদের অবস্থান নতুন করে স্পষ্ট করল।