১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সৈন্যদল ফিরে যাবে: ওয়াগনার প্রধান প্রিগোজিন

রক্তপাত এড়াতে এবং পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায় সেজন্য বেলারুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় যুদ্ধযাত্রা থামাতে রাজি হয়েছেন প্রিগোজিন।

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jun 2023, 12:25 AM

Updated : 25 Jun 2023, 01:40 AM

মস্কোর ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার পর ওয়াগনার বাহিনী রাশিয়ার রাজধানী অভিমুখে যাত্রা ‘বন্ধ’ রাখার ঘোষণা দিয়েছে; রক্তপাত এড়াতে সৈন্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথাও বলেছেন ইয়েভগেনি প্রিগোজিন।

বিবিসি ওয়াগনার যোদ্ধাদের প্রধান প্রিগোজিনের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রচার করা এক ভয়েস নোটের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বেলারুশ প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনার পর ওয়াগনার বাহিনী প্রধান তার যোদ্ধারা আর অগ্রসর হবেন না বলে জানিয়েছেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন রুশিয়া ২৪ নিউজ চ্যানেলের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসি এ ঘটনার লাইভ প্রতিবেদনে জানায়, পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায় সেজন্য প্রিগোজিন তা মেনে নিয়েছেন।

ওয়াগনার বাহিনী প্রধান উত্তেজনা কমাতে লুকাশেঙ্কোর প্রস্তাব মেনে নিয়ে রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধযাত্রা থামাতে রাজি হয়েছেন বলে বেলারুশের প্রেসিডেন্টের প্রেস সার্ভিসের বরাতে জানিয়েছে রুশিয়া ২৪।

Image

রাশিয়ার রোস্তভ-অন-ডন নগরীতে রাশিয়ান সাউদার্ন আর্মি মিলিটারি কমান্ড সেন্টারের সদর দপ্তরের ভেতর থেকে শনিবার কথা বলছেন ওয়ানগার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন।

এতে ওয়াগনার বাহিনীর যোদ্ধাদের জন্য নিরাপত্তাসহ উত্তেজনা কমানোর সম্ভাব্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খোঁজার কথা বলা হয়েছে।

লুকাশেঙ্কো এরপর পুতিনকে ফোন করে প্রিগোজিনের যুদ্ধাযাত্রা থামাতে রাজি হওয়ার খবর দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বেল্টা।

পুতিনের অনুমতি নিয়েই ‍লুকাশেঙ্কো ওয়াগনার প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানিয়েছে সংবাদ সংস্থাটি।

লুকাশেঙ্কোর এই চেষ্টায় সম্ভাব্য নতুন আরেকটি সংঘাত শুরু হওয়া আপাতদৃষ্টিতে এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

এতে করে গত দুই দিনের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার অনেকটা স্তিমিত হয়ে যায় শেষ আধা ঘণ্টার নাটকীয় ঘোষণায়। টেলিগ্রামে ওয়াগনার প্রধানের মস্কো অভিমুখে অগ্রযাত্রা বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে তা ৩০ লাখ মানুষ দেখেছেন।

হঠাৎ নাটকীয় এ ঘোষণা না এলে, ওয়াগনার বাহিনী যেভাবে দ্রুত গতিতে মস্কোর অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছিল তা দারুণ চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল নগরীর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন।

তিনি সেটিকে ‘কঠিন পরিস্থিতি’ বর্ণনা করে মস্কোকে ‘সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান অঞ্চল’ বলে ঘোষণা করেছিলেন।

এমনকি ঝুঁকি কমাতে আগামী সোমবারকে মস্কোয় ‘নন-ওয়ার্কিং ডে’ বা ‘কর্মহীন দিবস’ বলেও ঘোষণা করা হয়। বাসিন্দাদেরও ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

পুরানো খবর:

মস্কোর পথে এগুচ্ছে ওয়াগনার বাহিনী, পরিস্থিতি কঠিন: মেয়র

পুরানো খবর:

রাশিয়ার ওয়াগনার গ্রুপ কী, তাতে আছে কারা, করে কী?

পুরানো খবর:

ওয়াগনার আর রাশিয়ার সামরিক বাহিনী মুখোমুখি কেন?

পুরানো খবর:

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ অভিযোগ ওয়াগনার বাহিনীর