টোঙ্গা দ্বীপপুঞ্জে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাটির ১৬ কিলোমিটার গভীরে।
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত টোঙ্গা দ্বীপপুঞ্জে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর আশপাশের এলাকায় কিছুক্ষণের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হয় বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড)।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাটির ১৬ কিলোমিটার গভীরে, জিএফজেডের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
জার্মান এ সংস্থাটি শুরুর দিকে ভূমিকম্পের মাত্রা ৬ দশমিক ৬ হতে পারে বলে জানিয়েছিল। পরে তারা ও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস ভূমিকম্পের মাত্রা ৭ বলে নিশ্চিত করে।
ভূমিকম্পের পর প্যাসিফিক সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থাপনা জানায়, টোঙ্গার উপকূল বরাবর উপকেন্দ্রের ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট বিপজ্জনক সুনামি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে।
পরে সেরকম বিপজ্জনক ঢেউ দেখা যায়নি; কিছুক্ষণ পর ওই সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
পলিনেশিয়ান রাজ্য টোঙ্গার মধ্যে ১৭০টিরও বেশি দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত, যার অনেকগুলোই জনমানবহীন। সাংবিধানিকভাবে রাজতন্ত্রের অধীনে চলা এই দ্বীপপুঞ্জের লোকসংখ্যা মাত্র এক লাখের সামান্য বেশি, বেশিরভাগেরই বাস রাজ্যটির প্রধান দ্বীপ টোঙ্গাটাপুতে।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রশান্ত মহাসাগরে ডুবে থাকা হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা হা’আপেই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামি দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গায় আছড়ে পড়েছিল।
ভয়াবহ ওই দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনা তেমন না ঘটলেও অর্থনৈতিক এবং অবকাঠামোগত দিক থেকে দেশটি মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
