Published : 22 Feb 2026, 09:14 PM
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মার-আ-লাগো বাসভবনের সুরক্ষিত এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশের পর এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিক্রেট সার্ভিস।
স্থানীয় সময় রাত ১ টা ৩০ মিনিটে নর্থ গেটের কাছে শটগান ও ফুয়েল ক্যান হাতে ধরা পড়ার পর তাকে গুলি করা হয়। ২০ বছরের কোঠার ওই ব্যক্তি অবৈধভাবে সুরক্ষিত এলাকায় ঢুকেছিল। তার পরিচয় এখনও জানানো হয়নি।
নিরাপত্তারক্ষীরা ওই ব্যক্তিকে সুরক্ষিত এলাকায় দেখে ফেলেছিল। পাম বিচ কাউন্টির শেরিফ রিক ব্র্যাডশ জানান, নিরাপত্তারক্ষীরা এক শ্বেতাঙ্গ পুরুষকে একটি পেট্রোলের ক্যান এবং শটগান বহন করতে দেখে। তারা ওই ব্যক্তিকে এগুলো ফেলে দিতে বলে।
ওই ব্যক্তি জ্বালানির ক্যানটি ফেলে দিলেও শটগান তাক করে। সে সময় হুমকি আঁচ করে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডায় ছিলেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এর মুখপাত্র ব্রেট স্কিলস বলেন, গুলির ঘটনা যেখানে ঘটেছে সে এলাকাটি প্রেসিডেন্টের সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের আওতাধীন সুরক্ষিত এলাকা। এফবিআই ঘটনার তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের বিশেষ এজেন্ট রাফায়েল ব্যারোস বলেন, গুলির ঘটনায় কোনও আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তা আহত হননি।
পাম বিচের শেরিফ ব্র্যাডশ সন্দেহভাজন ব্যক্তির শটগানটির ছবি হাতে তুলে ধরে দেখিয়েছেন। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে লাল রঙের পেট্রোল ক্যানও দেখা গেছে।
অজ্ঞাতপরিচয় এই ব্যক্তির মার-আ-লাগো বাসভবনে প্রবেশের উদ্দেশ্য কি ছিল তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে সশস্ত্র সন্দেহভাজনদের সঙ্গে সংঘাত সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তাদের জন্য এবারই প্রথম নয়।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা ওয়েস্ট পাম বিচের গলফ ক্লাবে ঝোপের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকা এক অস্ত্রধারীকে পাকড়াও করেছিল। পরে তার নাম রায়ান রুথ বলে জানানো হয় এবং মামলায় সে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তার যাবজ্জীন কারাদণ্ড হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেইনিয়ায় এক নির্বাচনি জনসভায় ট্রাম্প বক্তব্য রাখার সময় হত্যা চেষ্টার শিকার হয়েছিলেন। তার কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে গিয়েছিল। এতে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান ট্রাম্প। ওই হামলাকারীর নাম ছিল থমাস ম্যাথিউ ক্রুক।