১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

লোহিত ও আরব সাগরে ৩ জাহাজে হুতিদের হামলা

হুতিরা বলেছে, গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়ার পর্যন্ত তারা তাদের এসব পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে।

লোহিত ও আরব সাগরে ৩ জাহাজে হুতিদের হামলা
লোহিত সাগরে হুতিদের হামলার কবলে পড়া একটি জাহাজ। ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Oct 2024, 04:01 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:48 AM

লোহিত সাগর ও আরব সাগরে তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বাহিনী। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে এসব জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। 

সোমবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সিনওয়ার বলেছেন, ইসরায়েলের বন্দরগুলোর উদ্দেশে এগোনোর সময় জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, এলএসইজি থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী তিনটি জাহাজই লাইবেরিয়ায় নিবন্ধিত। 

জাহাজগুলোর মধ্যে একটি নাম মোটারো বলে জানিয়েছে হুতিরা। এই জাহাজটিকে শেষবার ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে লোহিত সাগরে দেখা গিয়েছিলে। জাহাজটি মিশরের সুয়েজ খালের জলপথ ধরে চীনের সাংহাই যাচ্ছিল বলে এলএসইজি জানিয়েছে। 

আরেকটি জাহাজের নাম এসসি মন্ট্রিয়েল। এটি আফ্রিকার সেশেলস দ্বীপের ভিক্টোরিয়া বন্দর থেকে ওমানের সালালাহ বন্দরে যাওয়ার সময় আরব সাগরে হামলার শিকার হয়।  

তৃতীয় জাহাজ মেরস্ক কাউলুন ওমানের সালালাহ বন্দর থেকে ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। 

সোমবার এর আগে ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রি ইয়েমেনের আল ধুবাব থেকে ১৪ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণপশ্চিমে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের কাছে দু’টি বিস্ফোরণ ঘটার কথা জানিয়েছিল। 

অ্যামব্রির প্রতিবেদনের পর যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স (ইউকেএমটিও) জানায়, তারা ইয়েমেনের মোখা বন্দর থেকে ২৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে একটি ঘটনায় তিনটি বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর পেয়েছে। তবে যে জাহাজটির কাছে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে তাদের ক্রুরা নিরাপদ আছেন এবং তাদের পরবর্তী বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন বলে নিশ্চিত করে ইউকেএমটিও।

হুতিরা বলেছে, গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়ার পর্যন্ত তারা তাদের এসব পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে। 

হুতিদের এসব পদক্ষেপের কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছে।