Published : 10 Dec 2025, 10:09 PM
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (কাডিজ) চীন ও রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ঢুকে পড়ার ঘটনায় দুই দেশের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশের কাছে অভিযোগ করেছে সিউল।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের অভিযোগ, সাতটি রুশ ও দুটি চীনা সামরিক বিমান সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল। বিষয়টি নজরে আসতেই তারা একাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।
যে কোনও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৌশলগত ব্যবস্থা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া এই যুদ্ধবিমান পাঠায় বলে জানানো হয়েছে। তবে রুশ ও চীনা বিমানগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি বলেও জানিয়েছে সিউল।
আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চল কোনও দেশের সার্বভৌম আকাশসীমার অংশ নয়, তবে কিছু দেশে এই অঞ্চলে ভিনদেশি বিমানগুলোর নিজেদের পরিচিতি জানানোর নিয়ম রয়েছে।
চলতিএ বছরের মার্চেও দক্ষিণ কোরিয়ার এই অঞ্চলে একইভাবে রুশ যুদ্ধবিমান ঢুকে পড়ার পর সিউল যুদ্ধবিমান পাঠায়।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কর্মকর্তার বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, এবারের ঘটনায় রাশিয়ার বোমারু বিমান উল্লেং ও ডকদো দ্বীপের কাছে এবং চীনের বোমারু বিমান ইওদো অঞ্চলের কাছে প্রবেশ করে।
পরে দুই দেশের বিমান জাপানের তসুশিমা দ্বীপের কাছের আকাশে একসঙ্গে উড়েছে।
বুধবার রুশ-চীনা বিমানের এই অনুপ্রবেশ নিয়ে অভিযোগ জানানোর সময় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় বলেছে, “আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (কাডিজ) প্রতিবেশী দেশের বিমানের এই তৎপরতার বিরুদ্ধে আমাদের সামরিক বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন মেনেই সক্রিয়ভাবে জবাব দেবে।”
চীন বুধবার নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, তাদের বিমান বাহিনী রাশিয়ার সঙ্গে পূর্ব চীন সাগর ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশে যৌথ টহল পরিচালনা করেছে।
এই টহল চীন ও রাশিয়ার বার্ষিক সহযোগিতা পরিকল্পনার অংশ, যা আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বলে দাবি করেছেন চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক মুখপাত্র।