১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ডেটা ফাঁস, ক্ষমা প্রার্থনা আইরিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থার

“আমরা অকপটেই নিজেদের বর্তমান কর্মীদের কাছে এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছি, যা আসলে ঘটা উচিৎই হয়নি।”

ডেটা ফাঁস, ক্ষমা প্রার্থনা আইরিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থার
ছবি: পিক্সাবে

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Sep 2024, 04:04 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:23 AM

প্রায় দুই ডজন চাকরি আবেদনকারীর কাছে অসাবধানতাবশত নিজস্ব কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চলে যাওয়ায় ক্ষমা চেয়েছে উত্তর আয়ারল্যান্ডের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ ঘটনায় উত্তর আয়ারল্যান্ডের ‘পুলিশ অমবাডসম্যান’-এর ১৬০ জন বর্তমান ও সাবেক কর্মীর তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

তিন পৃষ্ঠার এ ওয়ার্ড ডকুমেন্টে ২০২২ সালের মে থেকে ওই সংস্থায় নিয়োগ পাওয়া সকল কর্মীর তথ্য ছিল, যা প্রকাশ পেয়েছে সংস্থার সাম্প্রতিক চাকরি নিয়োগের সাক্ষাৎকারে আমন্ত্রণ পাওয়া ২২ জন ব্যক্তির কাছে।

ওই নথিতে ২০২২ সালের মে মাসের পর থেকে নিয়োগ পাওয়া সকল কর্মীর নামের প্রথম অংশের সংক্ষিপ্ত রূপ ও পদবি ছিল। এ ছাড়া, কর্মীদের বিভিন্ন দলের সেবা দেওয়া এলাকাগুলোর তালিকাও ছিল এতে। পাশাপাশি, কোনো কর্মী পার্ট-টাইম, এজেন্সির মাধ্যমে, চুক্তি অথবা মাধ্যমিক ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন কি না, সে বিষয়টিও উল্লেখ ছিল এতে।

কর্মীদের পেশাগত জীবনের তথ্য, যার মধ্যে ছিল, কে কে পদত্যাগ করেছেন, কারা অবসর নেওয়ার কাছাকাছি, কারা ক্যারিয়ারে বিরতি নিয়েছেন, কারা বিভিন্ন বিভাগে বদলি হয়েছেন বা নতুন করে শুরু করেছেন, সে বিষয়গুলোও। এমনকি কয়েকজন কর্মীর নামের প্রথম অংশের সংক্ষিপ্ত রূপও উল্লেখ ছিল এই ডেটাসেটে।

‘পুলিশ অমবাডসম্যান’ দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেছেন, এ ফাঁস হওয়া নথিতে অন্য কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ছিল না।

“এ ফাঁসের ঘটনার বিপরীতে দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যারা এই নথি ভুলে পেয়েছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার বিষয়টিও,” বলেন তিনি।

“এখন পর্যন্ত, ২২ জনের মধ্যে ২০ জন এ ইমেইল বার্তা ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দলিল মুছে ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।”

“আমরা অকপটেই নিজেদের বর্তমান কর্মীদের কাছে এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছি, যা আসলে ঘটা উচিৎই হয়নি। এ ছাড়া, ওই নথিতে যেসব সাবেক কর্মীর তথ্য ছিল, তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি আমরা।”

“সর্বমোট ১৬০ জন সাবেক কর্মীর তথ্য ছিল এতে।”

“আমরা ‘আইসিও (ইনফর্মেশন কমিশনার্স অফিস)’-এর কাছে এ ঘটনার কথা জানিয়েছি। আর শিগগিরই ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে ও সে বিষয়ে পরামর্শ পেতে আমরা একটি স্বতন্ত্র তদন্তকারী নিয়োগ দিচ্ছি।”