Published : 08 Apr 2026, 11:51 AM
ইউটিউবে প্রকাশিত ভিডিও ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রশিক্ষণের অভিযোগে অ্যাপলের বিরুদ্ধে একসঙ্গে মামলা করেছে প্লাটফর্মটির তিন কনটেন্ট নির্মাতা।
তাদের দাবি, অবৈধভাবে ভিডিওর তথ্য সংগ্রহ করে অ্যাপল কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করেছে। কেবল অ্যাপলই নয়, এর আগে মেটা ও এনভিডিয়ার মতো কোম্পানির বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ এনেছেন এ ইউটিউবাররা।
প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, অ্যাপলের বিরুদ্ধে সম্মিলিত এ মামলাটি করেছে ‘এইচথ্রিএইচথ্রি প্রোডাকশনস’, ‘মিস্টার শর্ট গেইম গলফ’ ও ‘গলফহলিকস’ নামের তিনটি ইউটিউব চ্যানেল।
ইউটিউবারদের বিভিন্ন ভিডিও সবার দেখার জন্য উন্মুক্ত হলেও মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, অ্যাপল অবৈধভাবে ইউটিউবের সেই সুরক্ষিত মাধ্যম এড়িয়ে গেছে, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ধারিত।
কনটেন্ট নির্মাতাদের দাবি, অ্যাপল তাদের জেনারেটিভ এআই পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণে এসব ভিডিও ব্যবহার করেছে। ইউটিউবারদের তৈরি এ কনটেন্ট ছাড়া প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের পক্ষে এমন আর্থিক সাফল্য পাওয়া সম্ভব হত না।
ম্যাক রিউমার্স প্রতিবেদনে লিখেছে, এসব ইউটিউব চ্যানেল একই ধরনের মামলা মেটা, এনভিডিয়া, বাইটড্যান্স ও স্ন্যাপ-এর মতো অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানির বিরুদ্ধেও দায়ের করেছে।
কোনো কোম্পানি এআই প্রশিক্ষণের পদ্ধতির কারণে আইনি জটিলতায় পড়ল এমন বিষয় এবারই প্রথমবার নয়।
এর আগে, ওপেনএআই ও মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছিল, নিজেদের এআই চ্যাটবটকে প্রশিক্ষণ দিতে কোম্পানিগুলো নিউ ইয়র্ক টাইমসের কপিরাইটওয়ালা নিবন্ধ ব্যবহার করেছে।
একইভাবে, সম্প্রতি কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের দায়ে এআই স্টার্টআপ ‘পারপ্লেক্সিটি’র বিরুদ্ধে মামলা করেছে রেডিট ও এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
গত বছর, অ্যাপলের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা করেছিলেন নিউরোসায়েন্সের দুজন অধ্যাপক।
তাদের দাবি, তাদের কপিরাইটওয়ালা বিভিন্ন কাজ অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করেছে আইফোন নির্মাতা কোম্পানিটি।
নতুন করে তিন কনটেন্ট নির্মাতার মামলার বিষয়ে এনগ্যাজেটের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি অ্যাপল।