Published : 27 Feb 2025, 05:18 PM
২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আবারও ফিরলো অ্যামাজনের অ্যালেক্সা।
কোম্পানিটির ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন সংস্করণ অ্যালেক্সা প্লাস উন্মোচন করেছে অ্যামাজন। তাদের দাবি, ‘যে কোনও কিছু’ এর সঙ্গে শেয়ার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপ বা সফটওয়্যারের সংখ্যা বেড়েছে, যেখানে গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশিবার ডাউনলোড করা অ্যাপের মধ্যে চ্যাটজিপিটি ও ডিপসিক রয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিবিসি।
এ দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে অ্যামাজনও। সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত এক ইভেন্টে ‘অ্যালেক্সা প্লাস’ উন্মোচনের সময় কোম্পানিটি বলেছে, ‘ডিজিটাল বিশ্বে আপনার নতুন সেরা বন্ধু’ হতে চায় এটি।
‘অ্যালেক্সা প্লাস’ চালু হবে মার্চ থেকে, এ সময় প্রাইম সাবস্ক্রিপশন ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রাইম সদস্য নন এমন কেউ এটি ব্যবহার করতে চাইলে এজন্য প্রতি মাসে তাদের খরচ হবে ১৯.৯৯ ডলার। এটি কেবল আমেরিকান ব্যবহারকারীদের জন্য। যুক্তরাজ্যের মূল্য এখনও ঘোষণা করেনি অ্যামাজন।
অ্যামাজনের ডিভাইস ও পরিষেবা বিভাগের প্রধান পানোস পানায় বলেছেন, তথ্য মনে রাখতে পারে অ্যালেক্সা প্লাস। ফলে ব্যবহারকারী যদি নিরামিষাশী হন তবে ভবিষ্যতে এ বিষয়টি মনে রাখবে অ্যালেক্সা।
তিনি বলেছেন, এতে ‘নো মোর অ্যালেক্সা স্পিক’ অপশন থাকবে। ফলে এ অপশনটি অন করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আগের চেয়ে এখন আরও বেশি আলাপ চালিয়ে যেতে পারবেন এর সঙ্গে।
ব্যবহারকারীরা দোকান থেকে পণ্য অর্ডার করতে, স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ ও বাড়ির ক্যামেরার ফুটেজে কি ঘটছে তা জানার মতো বিভিন্ন বিষয়ে জানতে অ্যালেক্সা প্লাস-এর সঙ্গে আলাপ করতে পারবেন তারা।
অ্যালেক্সা প্লাস কীভাবে বিভিন্ন নথি বিশ্লেষণ ও সারসংক্ষেপ করতে পারে সেটিরও ডেমো ওই ইভেন্টে দেখিয়েছে অ্যামাজন। ওই তথ্য আপলোড করতে নতুন অ্যালেক্সা ডটকম ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্যবহার করবে কোম্পানিটি।
অ্যালেক্সা ইন্টারনেট ইনকর্পোরেটেডের প্রতিষ্ঠা ১৯৯৬ সালে। ১৯৯৯ সালে অ্যামাজনের মালিকানায় যায় প্রতিষ্ঠানটি। আরও দেড় দশক পড়ে একই নামের ‘ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট’ বাজারজাত করা শুরু করে অ্যামাজন।
র্যাংকিংয়ে অ্যালেক্সা ডটকম যেমন এগিয়েছে, তেমনি প্রশ্নবিদ্ধও হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। বিশেষ করে অনলাইন ব্যবসাগুলোর কাছে আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে ব্যবহারকারীদের ওয়েবসাইট ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত।
অ্যালেক্সার র্যাংকিং সেবা ত্রুটিপূর্ণ বা এতে কারসাজি করা সম্ভব, এমন অভিযোগও উঠেছে বিভিন্ন সময়ে।