Published : 20 Jan 2026, 01:06 PM
অনলাইনে পর্নোগ্রাফি দেখার ক্ষেত্রে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্য। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য এ ধরনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ ঠেকানোর লক্ষ্যে আগে পরিচয়পত্র বা ডিজিটাল ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব আনা হয়েছে।
ওয়াশিংটনের ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এর প্রতিনিধি মারি লেভিট ‘হাউস বিল ২১১২’ নামের এক বিল উত্থাপন করেছেন, যা ‘কিপ আওয়ার চিলড্রেন সেইফ অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের উদ্যোগের মতো এই বিলে ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ক্ষতিকর ‘অনলাইন যৌন কনটেন্ট’ দেখার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।
বাস্তবে ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দারা দেখতে পাবেন, বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের কাছে ডিজিটাল পরিচয়পত্র চাচ্ছে বা সরকারি কোনো আইডি কার্ডের মাধ্যমে বয়স যাচাইয়ের দাবি জানাচ্ছে।
এক্ষেত্রে যদি কোনো ওয়েবসাইটের এক-তৃতীয়াংশের বেশি কনটেন্ট ‘নাবালকদের জন্য ক্ষতিকর যৌন কনটেন্ট’ হয় এবং তারা এই নিয়ম না মানে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল।
এসব নিয়ম যুক্তরাষ্ট্রের অনেকের কাছেই পরিচিত মনে হতে পারে। কারণ, এরইমধ্যে এ ধরনের বিধিনিষেধ জারি করেছে দেশটির আরও অনেক অঙ্গরাজ্য।
ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত এ বিলটি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ‘বয়স যাচাইকরণ’ আইনের মতোই। টেক্সাসের আইনটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কার্যকর হয়েছে এবং সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টও আইনটিকে বহাল রেখেছে।
তবে টেক্সাসের আইনের মতো ওয়াশিংটনের এ বিলটি নিয়েও গণশুনানির সময় আপত্তি জানিয়েছে বেশ কিছু সংগঠন।
সিয়াটল টাইমসের প্রতিবেদনে অনুসারে, ‘এসিএলইউ’, ‘ল্যাভেন্ডার রাইটস প্রজেক্ট’ ও ‘নর্থওয়েস্ট প্রগ্রেসিভ ইনস্টিটিউট’-এর মতো সংগঠন সতর্ক করে বলেছে, এ আইনের ফলে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের প্রাইভেসি ঝুঁকির মুখে পড়বে ও তথ্য চুরির ভয় থাকবে।
এ ছাড়া বিলে ‘নাবালকদের জন্য ক্ষতিকর যৌন কনটেন্টের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সেটিও বেশ অস্পষ্ট বলে মনে করে তারা।