Published : 15 Sep 2024, 11:17 PM
কমিশনার এটিএম তারিকুজ্জামান এর অধীনে থাকা সব বিভাগ সরিয়ে নিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বিএসইসি।
রোববার তার অধীনে থাকা বিভাগগুলো সরিয়ে অন্য তিন কমিশনারকে বণ্টন করে দেওয়া হয়। তার নামের বিপরীতে দায়িত্বের ঘরে ‘ফাঁকা’ রাখা হয়।
এতদিন তার অধীনে চিফ একাউটেন্ট ডিভিশন, ডেরিভেটিভ ডিভিশন, আইসিটি ডিভিশন, মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমেডিয়ারিস অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন ছিল।
এর মধ্যে থেকে মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমেডিয়ারিস অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন গিয়েছে কমিশনার মু: মোহসিন চৌধুরীর অধীনে, আইসিটি ডিভিশন গিয়েছে কমিশনার আলী আকবারের কাছে ও ফারজানা লালারুখের কাছে গিয়েছে চিফ একাউট্যান্ট ডিভিশন ও ডেরিভেটিভ ডিভিশন।
নতুন পোর্টফলিওতে ‘কমিশনস সেক্রেটারিয়েট ডিভিশন’, ‘ফাইন্যান্সিয়াল লিটেরাসি ডিভিশন’ ও ‘ইন্টারন্যাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স’ বিভাগ তিনটি সরাসরি নিজের অধীনে নিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ।
গত ১১ সেপ্টেম্বর তিন মাস সময় দিয়ে বিএসইসির কমিশনার হিসেবে এটিএম তারিকুজ্জামান এর চুক্তি বাতিল করতে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়।
এর মাধ্যমে বিএসইসিতে আগের চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম সঙ্গে কাজ করা সব কমিশনার বাদ পড়তে যাচ্ছেন।
চার কমিশনার ও চেয়ারম্যান নিয়ে বিএসইসি কমিশন গঠিত হয়। নীতিনির্ধারণী যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে কমিশনের বৈঠক করে নেয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা আছে।
চলতি বছরের গত ২০ মে তারিকুজ্জামানকে চার বছরের জন্য বিএসইসির কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার।
২০২৩ সালের অগাস্টে তাকে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন শিবলী রুবাইয়াত। আট মাস চাকরি করে তিনি বিএসইসিতে ফেরেন চলতি বছরের মে মাসে।
গত ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন হলে আর্থিক খাতেও তার প্রভাব পড়ে।
আত্মগোপনে যাওয়া শিবলী রুবাইয়াত অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ১০ অগাস্ট রাতে পদত্যাগ করে ফের আত্মগোপনে চলে যান।
এর দুইদিন পরে পদত্যাগ করেন কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ ও রুমানা ইসলাম।