Published : 28 Jun 2026, 03:15 PM
অধিনায়ক হিসেবে ইতালিকে বিশ্বজয়ের স্বাদ এনে দেওয়া ফাবিও কান্নাভারো খুব ভালো করেই চেনেন বিশ্বকাপের মঞ্চ। তবে এবার ডাগআউটে দাঁড়িয়ে টের পেলেন এর নির্মম বাস্তবতা। টানা তিন ম্যাচ হেরে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ অভিযান হতাশা দিয়ে শেষ করল তার দল উজবেকিস্তান। বাদ পড়ে কান্নাভারো সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন তার সেই পুরনো সতর্কবার্তা- ‘বিশ্বকাপ ভীষণ নিষ্ঠুর।’
কলম্বিয়ার বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপে পথচলা শুরু করে উজবেকিস্তান। পরের ম্যাচে তাদের বিধ্বস্ত করে পর্তুগাল। আর শেষ ম্যাচে আরেক ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে অনেকটা সময় এগিয়ে থেকেও ৩-১ গোলে হারের তেতো স্বাদ পায় তারা।
পর্তুগালের বিপক্ষে ৫-০ গোলে হারের পর হাসছিলেন কান্নাভারো। রোববার বাংলাদেশ সময় ভোরের ম্যাচে কঙ্গোর বিপক্ষে হেরেও হাসি লেগে ছিল সাবেক ইতালিয়ান ডিফেন্ডারের মুখে। ম্যাচ শেষে কান্নাভারোর কাছে জানতে চাওয়া হয়, পর্তুগাল ম্যাচের পর আজও হাসছিলেন কেন তিনি।
উজবেকিস্তান কোচ জবাবে বলেন, বিশ্বকাপের নির্মতার কথা।
“আপনার কি মনে হয়, আমি নার্ভাস নই, ক্ষুব্ধ নই? আমি ভালো অনুভব করছি না, কারণ আমিও হারতে পছন্দ করি না। আমরা কিছু ভুল করেছি, অবশ্যই করেছি, কিন্তু খেলোয়াড়দের তো দোষারোপ করতে পারি না। কখনোই তাদের নিয়ে অভিযোগ করব না। কারণ আমি জানতাম, আর ড্র হওয়ার পর প্রথম দিন সংবাদ সম্মেলনেই আমি আপনাদের বলেছিলাম।”
“বিশ্বকাপ খুবই নির্মম। তারা কি নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে? হ্যাঁ, দিয়েছে। তারা এখন ড্রেসিংরুমে ভীষণ হতাশ। বিশ্বাস করুন, উজবেকিস্তানের আর যে কারো চেয়ে তারা বেশি কষ্ট পাচ্ছে।”
নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর উজবেকিস্তানের ফুটবল ভক্তদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তাও দিয়েছেন কান্নাভারো।
“আমাদের বুঝতে হবে, উজবেকিস্তানের ফুটবলের আরও উন্নতি দরকার। উজবেকিস্তানের ফুটবলের উচিত তাদের একাডেমিগুলোতে অর্থ বিনিয়োগ করা, তরুণ খেলোয়াড়দের পেছনে অর্থ ব্যয় করা। কারণ আগামী ২০-৩০ বছর পর উজবেকিস্তানকে নিয়মিত বিশ্বকাপে দেখতে পাওয়ার একমাত্র উপায় এটাই।”