Published : 11 Jul 2026, 07:25 PM
ডেক্লান রাইস, মার্ক গেয়ি ও রিচ জেমস যদিও বৃহস্পতিবার আলাদাভাবে অনুশীলন করেছেন। তাতেই স্বস্তি ফিরেছে ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেলের। নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের ছকও তিনি কষতে পারছেন একটু শঙ্কা মুক্ত হয়ে।
যদিও একটু খচখচানি রয়ে গেছে টুখেলের। মেক্সিকোর বিপক্ষে জয় উদযাপনের সময় মাঠের পাশে থাকা বোর্ডে লেগে হাত ভেঙে যাওয়ায় মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন এবং ওই ম্যাচে লাল কার্ডের কারণে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়া ডিফেন্ডার জ্যারেল কুয়ান্সাকে পাচ্ছেন না এই জার্মান কোচ।
হেন্ডারসন ও কুয়ান্সা নিয়ে আপাতত ভাবছেনও না টুখেল। বৃহস্পতিবার রাইস, গেয়ি ও জেমস অনুশীলন করায়, নরওয়ের বিপক্ষে স্কোয়াডের সবাইকে পাওয়াটাকে ইতিবাচক মানছেন তিনি।
“এটাই সেরা খবর। অনুশীলনে সবাইকে পেয়েছি, যেটা আমরা সবসময়ই পেতে পছন্দ করি।
“নিষেধাজ্ঞা পাওয়া খেলোয়াড়টি (কুয়ান্সা) ছাড়া, সব খেলোয়াড় আমাদের হাতে আছে। তো, এটা ভালো খবর।”
বাংলাদেশ সময় ১২ জুলাই ৩টায় (এএম) কোয়ার্টার-ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। টুখেলের মনোযোগ আপাতত, মায়ামির বাধা পেরুনোর দিকে।
“আমার মনে হয়, আমাদের গত ম্যাচে আমরা বড় একটা বাধা পার হয়েছি, কিন্তু সেটা ছিল মাত্র একটি ধাপ। এখনও আমরা ক্ষুধার্ত। আমাদের এখনও স্বপ্ন আছে এবং একটি বড় লক্ষ্য পূরণের জন্য খেলতে হবে।
“আমাদের পরের লক্ষ্য হচ্ছে, কোয়ার্টার-ফাইনালে জেতা। তাই সামনে তাকানো জরুরি…যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটা আমাদের সামনেই রয়েছে; নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি।”
এ ম্যাচের জয়ী দল, সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা অথবা সুইজারল্যান্ডের। ইংল্যান্ড ফাইনালে উঠলে, তাদের প্রতিপক্ষ হবে, ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচের জয়ী দল। পথচলা যে ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে, মনে করিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের এই জার্মান কোচ।
“প্রতিযোগিতা যত এগিয়ে যাচ্ছে, ততই কঠিন থেকে আরও কঠিন হয়ে উঠছে। এখন মাত্র ছয়টা দল টিকে আছে…আপনারা দেখছেন, বড় দলগুলোর অনেকে ইতোমধ্যে ঝরে গেছে। তাই, কোয়ার্টার-ফাইনালে থাকায়, আপনার মনের একটা অংশ গর্ব অনুভব করতে পারে।
“কিন্তু, মনের আরেকটা অংশ অনুভব করতে পারে, এটা যথেষ্ট নয়। আরও, আরও এবং আরও বেশি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। আমরা নরওয়ে ম্যাচের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছি। আমরা জানি, অন্য পাশে ফ্রান্স এবং স্পেন আছে। আমাদের এই সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে হবে, শীর্ষ দলগুলোর যেকোনো একটির বিপক্ষে খেলতে হবে (লক্ষে পৌঁছুতে হলে)।”