Published : 11 Jul 2026, 07:12 PM
বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নরওয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে তৃতীয় কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে ১২ জুলাই ৩টায় (এএম)।
এর আগে দেখে নেওয়া যাক কিছু পরিসংখ্যান:
১
প্রথমবারের মতো কোনো বড় টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে।
১২
দুই দল এর আগে ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের ১-০ গোলে জয়ের পর, দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে।
এই ১২টি ম্যাচের মধ্যে নরওয়ে জিতেছে কেবল দুটি, ইংল্যান্ডের জয় সাতটি, বাকি তিনটি ড্র হয়েছে। সবশেষ চার ম্যাচে কোনো গোল করতে পারেনি নরওয়ে।
৪
আগের ১২ ম্যাচের কেবল চারটি ছিল প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে এবং চারটিই বিশ্বকাপ বাছাইয়ে। যেখানে নরওয়ের জয় দুটি, ইংল্যান্ডের একটি, অন্যটি ড্র হয়েছে।
৬
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে ইংল্যান্ড তাদের সবশেষ ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে পরের ধাপে যেতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সবশেষ তিনটিতে টানা বাদ পড়েছে। সবশেষ ২০২২ সালের কোয়ার্টার-ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল তারা।
অন্যদিকে, নরওয়ে বিশ্বকাপে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে ছয় ম্যাচের কোনোটিতেই জিততে পারেনি (দুই ড্র, চার হার) এবং এই ধরনের দলগুলোর বিপক্ষে তাদের আগের দুটি নকআউট পর্বের ম্যাচেই হেরেছে- ১৯৩৮ সালে ২-১ ও ১৯৯৮ সালে ১-০ গোলে, উভয় ম্যাচেই প্রতিপক্ষ ছিল ইতালি।
১১
ইংল্যান্ডের (১১) চেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছে শুধু ব্রাজিল (১৪) ও জার্মানি (১৪)।
১০
ইংল্যান্ড তাদের আগের ১০টি বিশ্বকাপ কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের মাত্র তিনটি থেকে পরবর্তী ধাপে যেতে পেরেছে এবং এই ম্যাচগুলোর সাতটিতেই একাধিক গোল হজম করেছে।
১
নরওয়ের জন্য এটা এক নতুন অভিজ্ঞতা, তাদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো বড় টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছেছে তারা। তবে শেষ ষোলোয় বিশ্বকাপের ইতিহাসের সফলতম দল ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে তারা নিজেদেরকে যোগ্য প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রমাণ করেছে।
১৪
আর্লিং হলান্ড নরওয়ের হয়ে তার সবশেষ ১৪টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করেছেন (এই সময়ে মোট ২৭ গোল)।
১৮
ব্রাজিলের বিপক্ষে দুটিসহ ২০২৬ বিশ্বকাপে হলান্ড তার খেলা চার ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করেছেন। এই সময়ে ১৮টি শট থেকে সাতবার জালে বল জড়িয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম পাঁচ ম্যাচে গোল করা সবশেষ খেলোয়াড় হামেস রদ্রিগেস, ২০১৪ সালে কলম্বিয়ার হয়ে।
সবশেষ ইউরোপিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন জার্ড মুলার, ১৯৭০ সালে জার্মানির হয়ে। এই তালিকায় নাম তোলার হাতছানি হলান্ডের সামনে।
৬
এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার গোল্ডেন বুটের দৌড়ে হলান্ডের চেয়ে এক গোল পিছিয়ে আছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন, তার গোল ছয়টি; ২০১৮ বিশ্বকাপেও সমান সংখ্যক গোল করেন তিনি।
বিশ্বকাপের এক আসরে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়ের মধ্যে এক আসরে এত গোল করেছিলেন আর কেবল গ্যারি লিনেকার, ১৯৮৬ সালে।