Published : 11 Jun 2026, 04:10 PM
শক্তি-সামর্থ্যে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকোর চেয়ে পিছিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। খেলতে হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। মেক্সিকোর এই বাড়তি সুবিধা নিয়ে ভাবছেন না হুগো ব্রুশ। দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ বলেছেন, স্বাগতিকদের পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত তার দল।
ইতিহাসে প্রথমবার তিন দেশে (যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়) যৌথভাবে হচ্ছে বিশ্বকাপ। মেক্সিকো সিটিতে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা-মেক্সিকো ম্যাচ দিয়ে উঠবে উত্তর আমেরিকা আসরের পর্দা। বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু মাঠের লড়াই।
২০১০ সালের বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচ খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই ম্যাচেও তাদের প্রতিপক্ষ ছিল মেক্সিকো। জোহানেসবার্গে সেদিন মেক্সিকোকে রুখে দিয়েছিল দলটি, ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল লড়াই। ষোলো বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচে আবারও মেক্সিকোর সামনে পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা।
কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ১০ দিন আগেই মেক্সিকোয় পৌঁছে যায় চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায় থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্রুশ বললেন, সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামছেন তারা।
“তারা (মেক্সিকো) দারুণ ফুটবল খেলে। তাদের মানসম্মত ফুটবলার আছে, যারা ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে। আর ৮৫ হাজার দর্শকের সামনে খেলা নিশ্চিতভাবে তাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”
“উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে এখানে আমাদের কয়েকদিন আগে আসতে হয়েছিল। আমরা ১০দিন সময় পেয়েছি, আর আমার মতে, ১০ দিন যথেষ্ট (মানিয়ে নেওয়ার জন্য)। সেই দিক থেকে বলতে গেলে, আমরা প্রস্তুত।”
খেলোয়াড়ি জীবনেও মেক্সিকোকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিলেন ব্রুশ। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের খেলোয়াড় হিসেবে গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। ওই ম্যাচ ২-২ ড্র হয়েছিল। সেবার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল বেলজিয়াম ও মেক্সিকো।
‘এ’ গ্রুপে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্য দুই প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক রিপাবলিক। ব্রুশের মতে, টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপে যেতে উদ্বোধনী ম্যাচটিই হতে পারে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় নির্ণায়ক।
“এমন গ্রুপে প্রথম ম্যাচ জেতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিততে না পারলে শুরুতেই কঠিন অবস্থায় পড়ে যাবেন।”
ব্রুশের আশার পালে হাওয়া দিতে পারে মেক্সিকোর একটি বিব্রতকর রেকর্ড। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি আটবার উদ্বোধনী ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে দলটি। আসর শুরুর ম্যাচে খেলতে নেমে এখন পর্যন্ত একবারও জিততে পারেনি তারা।