Published : 11 Jun 2026, 05:21 PM
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের আলাদা দুটি হামলায় বিএনপির ছয় নেতাকর্মী আহতের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার রাতে উপজেলার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন গুইমারা থানার ওসি মো. সোহরাওয়ার্দী।
আহতরা হলেন- উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি, ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য মামুন, মাহবুব আলম এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ওমর ফারুক বাবু।
খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, রাতে গুইমারা উপজেলার বড়পিলাক এলাকার মো. হাসেমের বাড়িতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বৈঠক করছেন, এমন খবর পেয়ে সেখানে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পাঁচ নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে রাত ১০টার দিকে বাইল্যাছড়ি উপজেলার গুইমারা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ওমর ফারুক বাবুর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
বাবুর অভিযোগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মী বাপ্পি ত্রিপুরার নেতৃত্বে কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি আহত হন।
গুইমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আরিফ বলেন, “বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”
হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী বলেন, “আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।”
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, দুটি ঘটনার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালানো হয়।
ওসি সোহরাওয়ার্দী বলেন, “বড়পিলাকের ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। তবে বাইল্যাছড়ির ঘটনার বিষয়ে আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”