২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। বর্তমানে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের সিনিয়র কনস্যালটেন্ট ও ল্যাব কোঅর্ডিনেটর হিসেবে রয়েছেন। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে এমবিবিএস সম্পন্ন করেছেন। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পোস্ট গ্রাজুয়েশন (এমসিপিএস ও এফসিপিএস) করেন প্যাথলজিতে। পেশাগত জীবনে দা
চিকিৎসা নিতে গিয়ে কোনো পরিবার যেন নিঃস্ব না হয়—এটাই হওয়া উচিত একটি মানবিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। অথচ স্বাস্থ্যখাতে মাথাপিছু বরাদ্দের অভাবে ৭৭ শতাংশ খরচই রোগীকে নিজের পকেট থেকে দিতে হয়! আসন্ন বাজেটে কি সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ কমানোর কোনো দূরদর্শী পরিকল্পনা থাকবে?
যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন এমনকি ভারতেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় রয়েছে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ আইন ও সুনির্দিষ্ট ‘সিকিউরিটি কোড পদ্ধতি’। অথচ বাংলাদেশে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ফাইলেই আটকে আছে ‘জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন’।
চিকিৎসকদের ওপর ক্রমাগত হামলা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা কীভাবে ধ্বংস করছে দেশের জরুরি স্বাস্থ্যসেবাকে? চিকিৎসকদের ‘আত্মরক্ষামূলক অবস্থান’ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কতখানি বাড়াবে?