Published : 12 Jun 2026, 08:24 AM
এবারের বিশ্বকাপে খেলতে আসা সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাও। তবে, মাঠের লড়াইয়ে তাদেরকে ছোট ভাবতে জার্মানিকে বারণ করলেন জোনাথন টাহ। প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান করলেও, তাদেরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এই জার্মান ডিফেন্ডার।
সবশেষ দুই বিশ্বকাপ জার্মানির একদমই ভালো কাটেনি। ২০১৮ সালে রাশিয়া এবং ২০২২ সালে কাতার আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যাওয়ার হতাশা সঙ্গী হয়েছিল তাদের।
চার বিশ্বকাপ ট্রফির সবশেষটি জার্মানি জিতেছিল ২০১৪ সালে, ব্রাজিল বিশ্বকাপে। আগামী রোববার হিউস্টনে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তারা শুরু করবে শিরোপা ফিরে পাওয়ার লড়াই।
ফুটবল শক্তি, ঐতিহ্যে তো বটেই, অন্যান্য বিবেচনায়ও জার্মানির ধারে কাছে নেই কুরাসাও। নেদারল্যান্ডসের অংশ হলেও কুরাসাও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। যার ভূমির পরিমান মাত্র ৪৪৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা দেড় লাখের একটু বেশি।
কোচ ডিক আটফোকাটের মতোই দলটির সব খেলোয়াড় নেদারল্যান্ডসের নাগরিক এবং এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সবচেয়ে ছোট দেশটি সবাইকে চমকে দিয়ে বাছাইয়ের বৈতরণী পেরিয়ে উঠে এসেছে বৈশ্বিক মঞ্চে। টাহ জানালেন, নেদারল্যান্ডসে অনুশীলন করা কুরাসাওকে নিয়ে কথা হয়েছে তাদের দলীয় আলোচনায়।
“কুরাসাওকে নিয়ে গতকাল আমাদের দলীয় মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে এবং তারা ভালো একটা দল; তাদের খেলোয়াড়েরা নেদারল্যান্ডসে প্রস্তুতি নিয়েছে। কিন্তু আমরা ফেভারিট এবং ম্যাচটা জয়ের ব্যাপারে আমি আত্মবিশ্বাসী।”
‘ই’ গ্রুপে জার্মানির অপর দুই প্রতিপক্ষ কোত দি ভোয়া ও একুয়েডর। নাকাঙ্খিত কিছু না ঘটলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার হতাশা এবার জার্মানদের সঙ্গী হওয়ার শঙ্কা নেই। দলটির আরেক ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক বললেন, দলের সবাই তুঙ্গস্পর্শী ছন্দে থাকায় কোনো চাপ অনুভব করছেন না তারা।
“জার্মানি দলে মানসম্পন্ন খেলোয়াড়ের ছড়াছড়ি দেখছি আমি। অনেক খেলোয়াড় আছে ফর্মের তুঙ্গে এবং কয়েকজন তাদের শেষ বিশ্বকাপ খেলবে। দলে যে মিশ্রণ আছে, সেটা আসলেই ভালো।”
“কোনো চাপ নেই। আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা রোববার মাঠে নামব এবং দেখাতে চাই, আমরা কত ভালো দল।”