Published : 26 Jun 2026, 05:06 PM
প্রথম চাপে থাকা একুয়েডর বিশ্বকাপে টিকে থাকতে বলতে গেলে অসাধ্যই সাধন করেছে। লাতিন আমেরিকার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে হারিয়ে দিয়েছে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে।
শুরুতে গোল হজম করায় সেবাস্তিয়ান বেক্কাচেচের দলের কাজটা ছিল আরও কঠিন। প্রাণপণ লড়াইয়ে তারা পায় বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা জয়। এই ম্যাচের নানা ঘটনায় হয়েছে নানান রেকর্ড সেটাই তুলে ধরা হলো-
১: ৪৯
একুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচের ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে লিহয় জানের গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি। বিশ্বকাপে তাদের দ্বিতীয় দ্রুততম গোল এটি। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে আর্নেস্ট লেহনারের করা প্রথম মিনিটের গোল, এখনও দ্রুততম।
১/১১
গ্রুপ পর্বে লাতিন আমেরিকার কোনো দেশের বিপক্ষে ১১ ম্যাচে এসে প্রথমবার হারল জার্মানি। আগের ১০ ম্যাচে জার্মানদের জয় সাতটি, ড্র বাকি তিনটি।
২
দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলা নিশ্চিত করল একুয়েডর। প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে খেলেছিল ২০০৬ সালে।
২
বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে জয় পেয়েছে একুয়েডর। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে হন্ডুরাসের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জিতেছিল।
৪
ইংলিশ ক্লাব সান্ডারল্যান্ডের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে এই বিশ্বকাপে গোল করেছেন নিলসন অ্যাঙ্গুলো। এবারের আসরের এখন পর্যন্ত পিএসজির হয়ে সর্বোচ্চ ছয় ফুটবলার জালের দেখা পেয়েছেন।
১২
একুয়েডরের হয়ে টানা ১২ ম্যাচে গোল পাননি গন্সালো প্লাটা। জার্মানির বিপক্ষে সেই খরা কাটিয়ে উপহার দেন ম্যাচ জেতানো গোল।
১৩
১৩ বছর পর ইউরোপের কোনো দেশের বিপক্ষে জয় পেয়েছে একুয়েডর। সবশেষ জয় এসেছিল ২০১৩ সালে পর্তুগালের বিপক্ষে, ৩-২ ব্যবধানে।
১৭
জার্মানির বিপক্ষে নিলসন অ্যাঙ্গুলোর গোলে সমতা ফেরায় একুয়েডর। আসরে এটাই তাদের প্রথম গোল। লক্ষ্যে ১৭তম শটে জালের দেখা পেল তারা।
২০০২ বিশ্বকাপে ১৮ শট লক্ষ্যে রেখেও জালের দেখা পায়নি ফ্রান্স।
২২
একুয়েডরের বিপক্ষে বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে মানুয়েল নয়ার খেললেন নিজের ২২তম ম্যাচ। যৌথভাবে যা জার্মানির রেকর্ড। শুরুর একাদশে ২২ ম্যাচ খেলা অন্য দুই জন হলেন লোথার মাথেউস ও মিরোস্লাভ কোসা।
৭৭
ম্যাচের ৭৭ মিনিটে গোল করে একুয়েডরকে জয় এনে দেন গন্সালো প্লাটা।
একুয়েডর বিশ্বকাপে জয় পেয়েছে এমন ম্যাচে সবচেয়ে বেশি দেরিতে গোল এটাই। ২০১৪ আসরে হন্ডুরাসের বিপক্ষে ৬৫ মিনিটে জাল খুঁজে নিয়েছিলেন এনের ভ্যালেন্সিয়া। এতো দিন এটাই ছিল সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচ জয়ী গোল।