Published : 27 Jun 2026, 11:45 PM
চাঁদাবাজির অভিযোগে এক সংসদ সদস্যের ছেলে আটকের পর মুচলেকায় ছাড়া পাওয়া নিয়ে সংসদে ‘টিপ্পনি কাটলেন’ ঢাকা-১২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর এমপি সাইফুল আলম খান।
শনিবার সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “একজন মাননীয় সংসদ সদস্যের ছেলে চাঁদাবাজিতে গ্রেপ্তার হল। আমি ভাবলাম, বাহ! শুভবুদ্ধি নিশ্চয় উদয় হয়েছে। গ্রেপ্তার তো সোজা কথা না, মাননীয় এমপি সাহেবের ছেলে। তো পরের দিন দেখলাম মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিছে।”
সাইফুল বলেন, “তাতে (মুচলেকায় ছেড়ে দিলে) কী হবে? যারা সারা দেশে চাঁদাবাজি করতেছে, তারা বলবে চাঁদাবাজি করো, একটাই শাস্তি মুচলেকা দিতে হবে।
“মুচলেকা যদি দিতে পারো, তাহলে মুক্তি পেয়ে যাবা।”
কোনো সংসদ সদস্যের নাম প্রকাশ না করে চাঁদাবাজি নিয়ে কথা বলেন জামায়াতের এ এমপি। তবে গত ২১ জুন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি, বিএনপি নেতা আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে চাঁদাবাজির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরদিন তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নিজ নির্বাচনি এলাকার চাঁদাবাজির কথাও সংসদে তোলেন সাইফুল আলম।
“আমার এলাকায় কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শিল্পাঞ্চল (তেজগাঁও)- এই সমস্ত জায়গায় চাঁদাবাজি এখন ‘ন্যাশনাল টকে’ পরিণত হয়েছে। এসব এলাকায় আগেও সরকারি দলের লোকেরা চাঁদাবাজি করেছে, এখনো করছে।”
চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, “মানুষ যদি চাঁদাবাজদের ‘ওন’ করে, সেটা ভুল করা হবে। চাঁদাবাজকে ধরা হোক।”
ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জের ক্ষেত্রেও চাঁদাবাজি করা হচ্ছে বলে সংসদে তুলে ধরেন সাইফুল আলম।
তিনি বলেন, “শিল্পাঞ্চলে (তেজগাঁও) ব্যাটারিচালিত রিকশা রাস্তা থেকে সরাসরি লাইন টেনে চার্জ দেওয়া হয়। এগুলো থেকে টাকা নেওয়া হয়। এগুলো সরকারি দলের লোকেরাই করে।”