Published : 13 Jul 2026, 08:24 PM
দুজনের বয়সে তেমন ফারাক নেই। লামিন ইয়ামালের চেয়ে পাউ কুবার্সি মাস পাঁচেকের বড়। তবে, অনেককে বলতে শোনা যায়, রোকাফোন্দা থেকে আসা ইয়ামালের উপদেষ্টা নাকি কুবার্সি! স্পেনের এই তরুণ ডিফেন্ডার ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে বললেন, অনেক কথা। একটা অংশ জুড়ে থাকল কেবল ইয়ামালই।
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে, ডালাসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ১৫ জুলাই ১টায় (এএম) শুরু হবে ম্যাচটি। দুই দলই শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযানে ছুটছে।
প্রথম ও সবশেষ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ স্প্যানিশরা পেয়েছিল ২০১০ সালে। আর দুটি শিরোপার সবশেষটি ফরাসিরা জিতেছিল ২০১৮ সালে। গত আসরের ফাইনালে উঠলেও, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরে যায় তারা।
আসছে ম্যাচের আগে, ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে ও মাক্সোস লাকোয়া সমীহের সুরে কথা বলেছেন ইয়ামালকে নিয়ে। গতি, ক্ষিপ্রতা, বলের ওউপর নিয়ন্ত্রণ, গোল করার পারদশিতা- সব মিলিয়ে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ ফরোয়ার্ডকে তারা বেশ সতর্ক।
বার্সেলোনায় সতীর্থ হিসেবে কুবার্সি সারাক্ষণই কাছ থেকে দেখেন ইয়ামালকে। ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে সতীর্থের প্রস্তুতিও দেখছেন তিনি। সেই দেখা থেকে, ১৯ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাক বললেন, সম্ভাব্য সব উপায়ে নিজেকে মহারণের জন্য তৈরি করছেন ইয়ামাল। এ নিয়ে বলতে গিয়ে, নিজেদের বৈশিষ্টের পার্থক্যটাও তুলে ধরলেন কুবার্সি।
“আমি একটু আগ্রাসী ঘরানার, চাপ সৃষ্টি করতে পছন্দ করি, সেখানে ইয়ামাল শান্ত প্রকৃতির। সে নিজের কাজগুলোই করে। তার খেলার ধরনে সেটা দেখা যায়। তার খেলা দেখলে মনে হয়, সে যেন পাড়ার পার্কে খেলছে।
“তবে, সে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত। দলকে সাহায্য করতে তার যা করণীয়, সেদিকেই তার পূর্ণ মনোযোগ। গোল ও অ্যাসিস্ট করার মতো বিষয়গুলোর দিকেই যে মূল আলোটুকু থাকে- সে জানে; কিন্তু এই বাইরেও সে দলকে সাহায্য করার দিকে মনোযোগী। রক্ষণে কীভাবে সাহায্য করতে হবে এবং প্রতিপক্ষের ফুল-ব্যাকদের ওপর কীভাবে চাপ দিতে হবে, সে জানে। লামিন যখন আপনার মুখোমুখি হবে, আধিপত্য সে-ই করবে।”
যদিও, চলতি বিশ্বকাপে ইয়ামাল সে অর্থে গোলের দাবি মেটাতে পারেননি এখনও। সৌদি আরবের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে একবার কেবল জালের দেখা পেয়েছিলেন স্পেনের এই ‘বিস্ময়বালক’। এখন পর্যন্ত স্পেনের গোলের প্রয়োজটুকু সবচেয়ে বেশি মেটাচ্ছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল চার গোল করেছেন তিনি।