Published : 18 Jul 2026, 06:44 PM
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে এক অনুষ্ঠানে বসেছিল তারার মেলা। সেখানে মেসিদের সাথে ছিলেন টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচও। সার্বিয়ান তারকার প্রশ্নের উত্তরে লিওনেল মেসি শোনালেন, তাদের বেড়ে ওঠার গল্প। আওড়ালেন উন্মুক্ত বিহঙ্গের মতো মনের আনন্দে ফুটবল খেলার দিনগুলোর স্মৃতি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল সামনে রেখে বললেন, চাপ অনুভব না করার কথাও।
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ সময় রোববার ১টায় (এএম) শিরোপা লড়াইয়ে নামবে আর্জেন্টিনা। ইতালি ও ব্রাজিলের পর টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি দলটির সামনে। সবশেষ ব্রাজিল ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে টানা দুই আসরে জিতেছিল শিরোপা। স্পেন মুখিয়ে আছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের স্বাদ নিতে।
উন্মুখ হয়ে আছেন মেসিও। যদিও চলতি আসরে ইতোমধ্যে ৮ গোল করে ছুটছেন গোল্ডেন বুট জয়ের পথে, তবে তার ৩৯ বছর বয়সের দিকে তাকালে ধরে নেওয়া যায়, উত্তর আমেরিকার আসর হতে পারে তার সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ। ফাইনাল সামনে রেখে, এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা শোনালেন তার শুরুর দিনগুলোর গল্প।
“আমরা অনেক আবেগ নিয়ে ফুটবল খেলে বেড়ে উঠেছি। যেখানেই থাকতাম না কেন, খেলতে, মজা এবং আনন্দ করতে চাইতাম। সেটা স্কুলে হোক, রাস্তায় হোক বা কোনো দলের হয়ে খেলার সময় হোক। কারণ, আমরা সবাই পাড়ার দল থেকে ফুটবল খেলা শুরু করেছিলাম।”
ফাইনালের ফল ঝুঁকতে পারে যেকোনো দিকে। তবে, মেসি বললেন চাপমুক্ত হয়ে খেলতে নামবেন তারা।
“আমি মনে করি, আমরা কখনই চাপ নিয়ে ভাবি না। আমরা ফুটবলটাকে সহজাত একটা খেলা এবং ভালো সময় কাটানোর উপলক্ষ্য হিসেবে নেই। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি দল, আমরা জিততে চাই; কিন্তু এটা একটা দলীয় খেলা, প্রতিপক্ষরাও খেলবে এবং আপনি সবসময় জয়ী হতে পারবেন না।
“ছোট বেলা থেকে আমি শিখেছি, জেতার চেয়ে হারতে হয় বেশি এবং এটাই আমাদের একজন মানুষ এবং খেলোয়াড় হিসেবে বিকশিত করেছে।”