০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

এমবাপের জন্য খারাপ লাগা থাকলেও, কেইনের জন্য খুশি মরিনিয়ো

বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপের পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করে তার ভূয়সী প্রশংসাও করলেন রেয়াল মাদ্রিদ কোচ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 01 Nov 2026, 08:33 AM

Updated : 01 Nov 2026, 08:33 AM

সম্ভাবনা জাগিয়েও ক্যারিয়ারে প্রথম ব্যালন দ’র জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি কিলিয়ান এমবাপের, ফরাসি তারকার এই অপ্রাপ্তিতে খারাপ লাগছে জুজে মরিনিয়োর। তবে বিজয়ী হ্যারি কেইনও তার একসময়ের শিষ্য, আর তাই ইংলিশ তারকা বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হওয়ায় বেশ সুখানুভূতিও হচ্ছে রেয়াল মাদ্রিদ কোচের।

গত মৌসুমে ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ও জাতীয় দলের হয়ে গোলের বন্যা বইয়ে দেন কেইন। বিশ্বকাপে ছয়টিসহ মৌসুমে মোট ৭৩টি গোল করেন তিনি। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে মৌসুমের সেরা গোলদাতা হন এই স্ট্রাইকার। ক্লাবকে জেতান বুন্ডেসলিগা ও জার্মান কাপ। আর বিশ্বকাপে তৃতীয় হয় ইংল্যান্ড।

দারুণ এই পারফরম্যান্সের জন্য গত সোমবার এমবাপে ও লামিন ইয়ামালকে হারিয়ে ফরাসি ম্যাগাজিন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর দেওয়া বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কারটি জয় করেন কেইন।

গত মৌসুমে অনেক গোল করেন এমবাপে, ক্লাব ও জাতীয় দল-সবখানে। তাতে পুরস্কারটি জয়ের দৌড়ে ভালোমতোই ছিলেন তিনি। কিন্তু তাকে ভোটাভুটিতে ২৮ পয়েন্ট পেছনে ফেলে সেরা হন কেইন।

রেসিং সান্তাদারের বিপক্ষে লা লিগা ম্যাচের আগের দিন শনিবার সংবাদ সম্মেলনে কেইনের ব্যালন দ’র জয় নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন খুলেই নিজের ভাবনা জানান মরিনিয়ো।

“কেইনের সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। সে দুর্দান্ত খেলোয়াড়, দারুণ এক পেশাদার, অসাধারণ ব্যক্তি।

“অবশ্যই, আমার খেলোয়াড় না জেতায় হতাশা কিছু তো আছেই, তবে আমাকে সৎ থাকতে হবে এবং বলতেই হবে যে, হ্যারির জয়েও আমি খুব খুশি। কারণ সে এমন এক খেলোয়াড়, যে এটার যোগ্য… এই বয়সে… আমি জানি না তার বয়স ৩১ না ৩২… তার দুর্দান্ত ক্যারিয়ারে সে এই আনন্দটুকু পাওয়ার যোগ্য।”

নিজের দলের খেলোয়াড় এমবাপেকেও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মরিনিয়ো। বিশেষ করে, বিশ্বকাপে ফরাসি তারকার অসাধারণ পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন তিনি। গত জুন-জুলাইয়ে ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে সর্বোচ্চ ১০ গোল করেন এই ফরোয়ার্ড, সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও নিজের করে নেন।

“আমার মতে, কিলিয়ান তো কিলিয়ানই, কিলিয়ান অনন্য… কেউ এই পুরস্কার একাধিকবার জিতেছে- মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো, রোনালদো নাজারিও, প্লাতিনি… এমন কিছু খেলোয়াড় আছে, যারা এটা একবারের বেশি জিতেছে। তবে প্রতি বছরই আমরা একজন ব্যালন দ’র জয়ী পাই।

“তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে একজনই সেরা খেলোয়াড়। বিষয়টা অসাধারণ, অনন্য। আর কিলিয়ান অনন্য। সব ভোটাভুটির বিষয় ভাবলে… আমাকে আরও বেশি নির্বাক করে দেয় যে জুড বেলিংহ্যাম ১১তম। আর কোনো কথা নেই। এ বিষয়ে এখানেই শেষ করা যাক।”