০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

নিজেদের প্রমাণের চ‍্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ফ্লিক

বড় দলের বিপক্ষে খেই হারায় বার্সেলোনা, এই আলোচনা বন্ধ করতে ভালো ফলের বিকল্প দেখেন না বার্সেলোনা কোচ।

নিজেদের প্রমাণের চ‍্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ফ্লিক

হান্সি ফ্লিক। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 02 Nov 2026, 07:39 PM

Updated : 02 Nov 2026, 07:39 PM

দারুণ গতিতে ছুটে চলা বার্সেলোনা ধাক্কা খেয়েছে পরপর দুই ম‍্যাচে, তাতে স্প‍্যানিশ চ‍্যাম্পিয়নদের সামর্থ‍্য নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। কয়েক মৌসুম ধরেই যা তাড়া করে বেড়াচ্ছে তাদের। বড় দলের বিপক্ষে যথেষ্ট ভালো নয় বার্সেলোনা- এই আলোচনায় বিস্মিত নন হান্সি ফ্লিক। তিনি মনে করেন, সমালোচকদের থামাতে মাঠে ভালো ফল করতে হবে তার দলকে।

চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির বিপক্ষে হারে বার্সেলোনা। পরে লা লিগায় হারে রেয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে। মঙ্গলবার চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগে অ‍্যাস্টন ভিলার মুখোমুখি হবে স্প‍্যানিশ চ‍্যাম্পিয়নরা। এর আগের দিন ফ্লিকের সংবাদ সম্মেলনে উঠল বড় দলের বিপক্ষে বার্সেলোনার ভোগান্তির প্রসঙ্গ। সেখানে নিজের ভাবনা জানালেন ফ্লিক।

“বড় দলের বিপক্ষে দুটি হারে দল নিয়ে মানুষের সংশয়ে আমি বিস্মিত কিনা? না, মোটেই না। এমনটাই ঘটছে। আর আমাদেরই নিজেদের প্রমাণ করতে হবে। আমরা নিজেদের সেরা ফুটবল খেলেছি এবং এখানে কোনো অজুহাত নেই।

“ফল হয়তো ভিন্ন, কিন্তু আমরা একই পর্যায়ের। আমি পেছনে ফিরে তাকাতে পছন্দ করি না। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরের ম‍্যাচ- প্রথমে ভিলা পরে আতলেতিকো মাদ্রিদ। নিজেদের লক্ষ‍্য অর্জনের মান আমাদের আছে। কিছুই বদলায়নি, আমারা প্রতিদিনই কঠোর পরিশ্রম করি। এটা স্বাভাবিক, ফুটবল এমনই। যদি আমিও আপনাদের সঙ্গে থাকতাম তো, আমিও হার নিয়ে, দুর্বলতা নিয়ে কথা বলতাম। এটা স্বাভাবিক।”

নিজেদের সামর্থ‍্য প্রমাণ করতে বড় কোনো দলকে হারাতে হবে বার্সেলোনার। এই মৌসুমে সেটাই কি বার্সেলোনার মূল লক্ষ‍্য। এই আলোচনার খুব গভীরে যেতে চাইলেন না ফ্লিক।

“আমরা জানি, এই পর্যায়ে যে কোনো কিছুই হতে পারে। রেয়ালের বিপক্ষে ফল ভিন্ন হতে পারত। এই ম‍্যাচগুলো বিশেষ, তবে আমাদের এখনও আত্মবিশ্বাস আছে। আপনারা ওই হারের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন, যা স্বাভাবিক। তবে নিজের দলের ওপর আমার আস্থা আছে। আর আমরা সেটা শনিবার দেখিয়েছি। এখন আমাদের দৃষ্টি চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগে। আমরা সেরা আটে থাকতে চাই, আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি।”