প্যারিসে বিধ্বস্ত হলেও ‘আত্মবিশ্বাসে ভাটা পড়েনি’ অ্যাস্টন ভিলার
মর্গ্যান রজার্সের দৃঢ় বিশ্বাস, ফিরতি লেগে গ্যালারি ভরা সমর্থকদের সামনে পাশার দান উল্টে দিতে পারবে তারা।
পিএসজির মাঠে গিয়ে যে ভুগতে হবে, আগেই ধারণা করতে পেরেছিলেন মর্গ্যান রজার্স। তবে এমন ঝড়ের মুখে পড়তে হবে, দারুণ শুরু পেয়েও এভাবে বিপর্যস্ত হতে হবে-তা হয়তো ভাবনায় ছিল না অ্যাস্টন ভিলার এই মিডফিল্ডারের। যদিও এতে তার আত্মবিশ্বাসে যেন এতটুকুও চোট লাগেনি! দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, ফিরতি দেখায় ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য তাদের আছে।
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে শুরু থেকেই যেন প্রতিপক্ষকে টানা আক্রমণে ভাসিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামে পিএসজি। যদিও খেলার ধারার বিপরীতে ৩৫তম মিনিটে ইংলিশ দলটিকে এগিয়ে নেন রজার্স।
পিছিয়ে পড়ার দুই মিনিট পরই অবশ্য সমতা টানেন দিজিরে দুয়ে। পুরো ম্যাচে প্রায় ৭৫ শতাংশ সময় পজেশন রেখে, গোলের জন্য ২৯টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পারা পিএসজি পরে খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া ও নুনো মেন্দেসের গোলে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায়।
দারুণ এই জয়ে পরিষ্কারভাবেই সেমি-ফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছে পিএসজি। তবে রজার্সের মতে, দুই লেগের লড়াইয়ে এখনও অনেক কিছু বাকি। চিত্রপট বদলে দিতে আগামী মঙ্গলবার ঘরের মাঠে নামবে তারা, যা দারুণ আশাবাদী করে তুলছে তাকে।
“এত বেশি (আক্রমণের মুখে) রক্ষণ সামলানো ও লড়াই করা কঠিন। আমরা সেটা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের মান এবং হয়তো আমাদের কিছু ভুল ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে।”
“এখন আমাদেরকে (লক্ষ্য মাথায় রেখে) কেবল এগিয়ে যেতে হবে এবং বিশ্বাস করতে হবে যেন আমরা এটা করতে পারি…(দুই লেগ মিলিয়ে) ফল বদলে দেওয়ার মান আমাদের আছে। তাই সবকিছু এখনও শেষ হয়ে যায়নি।”
সাম্প্রতিক সময়ে ভিলার ঘরের মাঠের পরিসংখ্যানও অবশ্য দারুণ এক লড়াইয়ের হাতছানি দিচ্ছে। গত অক্টোবরে লিগ কাপে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পর থেকে আর হারেনি পিএসজি। যা আরও বেশি প্রেরণা যোগাচ্ছে রজার্সকে।
“এখন আমরা ঘরে ফিরব, যেখানে আমরা নিজেদের সেরা ফর্মে খুঁজে পাই এবং এই মৌসুমে হয়তো ঘরের মাঠেই আমরা তুলনামূলক ভালো খেলেছি।”
