ইংলিশ ফুটবল
Published : 21 Sep 2025, 05:31 PM
কুঁচকির চোট পুরোপুরি সারেনি। তবুও দলের জন্য কিছু করার তাড়নায় ঝুঁকি নিয়েই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে নেমে গেলেন কোল পালমার। ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের এই প্রচেষ্টা মনে ধরেছে চেলসি কোচ এন্টসো মারেস্কার।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে শনিবার ২-১ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে চেলসির শুরুর একাদশে ছিলেন পালমার। কিন্তু মাত্র ২১ মিনিট খেলেই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
এদিন শুরুতেই গোলরক্ষক রবের্ত সানচেসকে হারানোর ধাক্কা খায় চেলসি। পঞ্চম মিনিটে বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসে ইউনাইটেডের ব্রায়ান এমবুমোকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন সানচেস। এরপর দলে বদল আনতে শুরু করেন মারেস্কা।
প্রতিপক্ষে একজন কম থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রুনো ফের্নান্দেসের গোলে চতুর্দশ মিনিটে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। গোল হজম করার ৬ মিনিট পরই পালমারকে উঠিয়ে মিডফিল্ডার আন্দ্রে সান্তোসকে নামান মারেস্কা।
ম্যাচ শেষে চেলসি কোচ বললেন, ম্যাচটি খেলার জন্য পুরোপুরি ফিট না ছিলেন না পালমার। ম্যাচের মাঝে অস্বস্তি অনুভব করায় ২৩ বছর বয়সী ফুটবলারকে তুলে নিতে বাধ্য হন তারা। দলের প্রতি পালমারের নিবেদনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেন মারেস্কা।
“কোল (পালমার) ম্যাচের দিন সকালে অনুশীলন করেছে, এই ম্যাচটি খেলার জন্য পরীক্ষা দিয়েছে। সে শতভাগ ফিট ছিল না। খেলতে নেমে দারুণ প্রচেষ্টা দেখিয়েছে, কিন্তু আসলেই শতভাগ প্রস্তুত ছিল না।”
“সমস্যাটা অনেক দিন ধরেই ভোগাচ্ছে তাকে, আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কুঁচকির চোট। সকালে পরীক্ষা দিয়েছে। দলের জন্য ম্যাচটি খেলতে খুব করে চাইছিল সে, তার পক্ষ থেকে এটা ছিল বড় প্রচেষ্টা। কিন্তু ২০ মিনিট পর সে অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করে। তাই আমরা তাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”
কুঁচকির চোট কাটিয়ে পালমারের মাঠে ফেরার বেশি দিন হয়নি। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ফেরার ম্যাচে ৩৪ মিনিট খেলেন তিনি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গত বুধবার বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে অবশ্য পুরো ম্যাচে মাঠে ছিলেন তিনি।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ট্রেবল জিতে ২০২৩ সালে পালমার পাড়ি জমান চেলসিতে। ক্লাবটির হয়ে গত দুই মৌসুমে দারুণ সময় কেটেছে তার। সবশেষ ক্লাব বিশ্বকাপ জয়েও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।