Published : 01 Jan 2026, 07:39 PM
স্পেনের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পর কেটে গেছে দেড় দশকের বেশি সময়। দীর্ঘ সেই অপেক্ষার অবসান আসছে আসরেই করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ দলটির কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। বললেন, বিশ্ব সেরার মুকুট পুনরুদ্ধারে সবটা উজাড় করে দিতে প্রস্তুত তার দল।
১৯৭৮ সাল থেকে নিয়মিত বিশ্বকাপে খেলা স্পেন ১৬ বছর আগে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০১০ সালের ওই আসরে দেশকে অধরা শিরোপা এনে দেন শাভি, ইনিয়েস্তারা।
২০১৪ আসরে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে নেমে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় স্পেন। ২০১৮ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলোর চ্যালেঞ্জ উতরাতে পারেনি দলটি।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠেয় আসছে আসরের আগে অবশ্য দারুণ ছন্দে আছে স্পেন। ২০২৪ সালে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতে তারা, দে লা ফুয়েন্তের কোচিংয়েই। এই প্রতিযোগিতার শিরোপা তিনবার জিতে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে জার্মানি।
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বও দারুণ কেটেছে স্পেনের। ৬ ম্যাচে পাঁচ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে তারা।
বিশ্ব মঞ্চে ‘এইচ’ গ্রুপে পড়েছে স্পেন। যেখানে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী উরুগুয়ে, সৌদি আরব ও নবাগত কেপ ভার্দেকে। এএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পেনের বিশ্বকাপের জয়ের সম্ভাবনার প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন দে লা ফুয়েন্তে।
“আমি এই প্রশ্নের (বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার মনে করি কিনা) উত্তর দৃঢ়তার সঙ্গে দিচ্ছি; হ্যাঁ, আমরা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারি। আমরা পারব এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য লড়াই করব। কিন্তু আরও কিছু দল আছে, যারা একই চেষ্টা করবে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগাল, অথবা মরক্কোর মতো শীর্ষ দলগুলোর কেউই পিছিয়ে থাকবে না।”
“আসছে বিশ্বকাপের মতো এত বেশি (শিরোপার) দাবিদার নিয়ে আর কোনো বিশ্বকাপ হয়নি। এছাড়া, কেপ ভার্দের মতো কিছু কম পরিচিত দেশ আছে যারা তাদের অগ্রগতির প্রমাণ দিতে চাইবে।”
বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম ম্যাচ আগামী ১৫ জুন, প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে। ২১ জুন তারা মুখোমুখি হবে সৌদি আরবের। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে লড়বে দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ে, ২৭ জুন।