বিশ্বকাপ বাছাই
Published : 06 Sep 2025, 02:41 AM
শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর আর গোলের দেখা পাচ্ছিল না ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ ভালো লড়াই করল ইউক্রেইন। দুইবার গোল পাওয়ার খুব কাছেও পৌঁছে গেল তারা, কিন্তু একবার বাধ সাধল পোস্ট, আরেকবার বল ক্লিয়ার হলো গোললাইন থেকে। শেষ দিকে চমৎকার গোলে সব অনিশ্চয়তার ইতি টেনে দিলেন কিলিয়ান এমবাপে।
পোল্যান্ডে শুক্রবার রাতে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ীরা। প্রথম গোলটি করেছেন মাইকেল ওলিসে।
ম্যাচে প্রায় ৫৬ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১৬টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারে ফ্রান্স। ইউক্রেইনের ৮ শটের ৩টি লক্ষ্যে ছিল।
দশম মিনিটে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। বার্কোলার পাস বক্সে ফাঁকা জায়গায় পেয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ওলিসে।
ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এই মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের উইঙ্গারের গোল হলো ৫টি।
অষ্টাদশ মিনিটে ওলিসের শট ফিরিয়ে দেন ইউক্রেইনের গোলরক্ষক। পরের মিনিটে দিজিরে দুয়ের শটও ব্যর্থ করে দেন তিনি। দুই মিনিট পর লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন এমবাপে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দুয়ের বদলি হিসেবে উসমান দেম্বেলেকে নামান ফ্রান্স কোচ। ৫৮তম মিনিটে একটি সুযোগ পান পিএসজির এই ফরোয়ার্ড। তার শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।
৬৫তম মিনিটে ইব্রাহিমা কোনাতের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় ফ্রান্স। আর্তেমের হেড গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়াতে যাচ্ছিল, হেডে গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার কোনাতে।
পরের মিনিটে দুর্ভাগ্য বাধ সাধে ইউক্রেইনের সামনে। কাছ থেকে ইলিয়া ইয়াবার্নির হেড পোস্টে লাগে।
৮২তম মিনিটে দারুণ গোলে ইউক্রেইনের ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও কঠিন করে তোলেন এমবাপে। মাঝমাঠ থেকে রেয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ অহেলিয়া চুয়ামেনির পাস ধরে, সামনে থাকা প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারের বাধা এড়িয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে বল জালে পাঠান তিনি।
ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের তালিকায় দুই নম্বরে থিয়েরি অঁরির পাশে বসলেন এমবাপে, দুজনেরই গোল ৫১টি করে। ৫৭ গোল করে চূড়ায় অলিভিয়ে জিরু।
নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে অঁরিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হারান এমবাপে। ওয়ান-অন-ওয়ানে চিপ শটে গোলরক্ষকের হাতে বল তুলে দেন এই তারকা।
একই সময়ে গ্রুপের আরেক ম্যাচে আজারবাইজানকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে আইসল্যান্ড।
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী মঙ্গলবার ঘরের মাঠে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। একই দিন আজারবাইজানের বিপক্ষে খেলবে ইউক্রেইন।