Published : 21 Jun 2026, 03:43 AM
হাইতির বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয় মিললেও, নতুন দুর্ভাবনা জেঁকে বসেছে ব্রাজিল শিবিরে। ম্যাচটিতে বিরতির আগেই কিছুটা খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। তবে বিশ্বকাপের পরবর্তী ধাপে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে ফিরে পাওয়ার আশায় আছে দলটি।
বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। এদিনও শুরুর একাদশে নামেন রাফিনিয়া, যদিও পারফরম্যান্সে আলো ছড়াতে পারেননি তিনি।
ম্যাচে তার শেষটা তো হয় আরও হতাশার। ৪০তম মিনিটে পায়ে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়ে যান তিনি। পরে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেশিতে চোট পেয়েছেন রাফিনিয়া। তার সেরে ওঠার সম্ভাব্য কোনো সময়ও জানানো হয়নি।
দলটির এক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, রাফিনিয়ার চোট গুরুতর না হওয়ায় তাকে এই অভিযানেই পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সিবিএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে “রাফিনিয়ার চোটের পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তার ডান ঊরুর পেছনের দিকে পেশির চোট ধরা পড়েছে।”
রাফিনিয়া দলের সঙ্গেই থাকবেন এবং ব্রাজিল দলের চিকিৎসকদের অধীনে তার চিকিৎসা চলবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব তাকে মাঠে ফেরানোর চেষ্টা করছে তারা।
গত বছর থেকে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট খুব ভোগাচ্ছে রাফিনিয়াকে। এই সময়কালে এই নিয়ে চতুর্থবার ছিটকে পড়লেন তিনি। বারবার চোটে পড়ার কারণেই গত মৌসুমে বার্সেলোনার ২৩টি ম্যাচ খেলতে পারেননি এই তারকা।
এবারের আগে রাফিনিয়া চোট পেয়েছিলেন ব্রাজিলের হয়ে খেলার সময়ই, গত মার্চে ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের সময়। ওই চোটে এক মাসের বেশি সময় মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।
কঠিন এই সময়ে সতীর্থের পাশেই আছেন ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়রা। মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা ইতিবাচক খবরের আশায় আছেন।
“সে কিছুটা হতাশ। আমরা আশা করি এটা (চোট) গুরুতর কিছু নয়, যেন সবচেয়ে কম খারাপ কিছু হয়। কারণ সে খুব গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবং আমরা তার ওপর অনেক নির্ভর করি।”
রাফিনিয়ার বদলি নামা রায়ান দলে থিতু হতে পারেননি এখনও। সেক্ষেত্রে, রাফিনিয়া স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে কিংবা সামনের ম্যাচগুলোতে খেলতে না পারলে, আনচেলত্তিকে ভরসা রাখতে হবে লুইস এইহিকের ওপর, নয়তো শুরুতে তুলে আনতে হবে তরুণ এন্দ্রিককে।
দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে আছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে মরক্কো।
৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে স্কটল্যান্ড। এখনও পয়েন্ট না পাওয়া হাইতির বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।