Published : 16 Jul 2026, 05:50 PM
এক গোলের ব্যবধান মোটেও যথেষ্ট নয়। এগিয়ে যাওয়ার পর তাই বার্তা ছিল, আর্জেন্টিনাকে আরও চেপে ধরে ব্যবধান দ্বিগুণ করার। কিন্তু, গোলটি আগলে রাখার দিকেই যেন মনোযোগী হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে যাওয়ার পর, দলটির অধিনায়ক হ্যারি কেইনও বুঝতে পেরেছেন, কোথায় ভুলটা করেছেন তারা।
আটলান্টায় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অ্যান্থনি গর্ডনের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। একটা সময় পর্যন্ত জয়ের ঘ্রাণও পাচ্ছিল ‘থ্রি লায়ন্স’রা। কিন্তু শেষ দিকে এন্সো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে কেইন-বেলিংহ্যামদের কাঁদিয়ে, ২-১ গোলের জয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা।
২০১৮ বিশ্বকাপের মতো, এবারও সেমি-ফাইনালে থেকে ছিটকে যাওয়ার হতাশা ঝরল কেইনের কণ্ঠে। ৩২ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার খুঁজে পেয়েছেন, গলদটা তাদের কোথায় হয়েছিল।
“প্রথমার্ধে ও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আমরা তাদেরকে ভালোই চাপে ফেলেছিলাম। ওপরে উঠে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করতে পারায় পজেশন বেশ আমাদের দখলে ছিল, এবং ম্যাচটাও কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম।
“আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর, হয় তারা আরও বেশি খেলোয়াড় সামনে খেলানোর কারণে বা আমরা ম্যান টু ম্যান পেরে না ওঠার কারণে, আক্রমণের ঢেউ আছড়ে পড়তে লাগল একের পর এক।”
সেই ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে গেল ইংল্যান্ডের ১৯৬৬ সালের পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। কেইনের মনে হচ্ছে, গর্ডনের গোলের পর আর্জেন্টিনাকে চেপে ধরতে না পারার মাশুলই দিতে হয়েছে তাদের।
“ছেলেরা ম্যাচের যে কোনো পরিস্থিতির জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে। যখন আমরা এগিয়ে গেলাম, তখন বার্তা ছিল আরও চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার, আরেকটি গোল তুলে নেওয়ার। কিন্তু আমরা সেটা পারিনি। আর্জেন্টিনার আক্রমণের সামনে ছেলেরা বাঁধ দিয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা যথেষ্ট হয়নি।”