নির্বাচনি আচরণ ভঙ্গ: পাবনা জেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে শোকজ
মঙ্গলবার সবুজকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অথবা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে তাজউল ইসলামের কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
পাবনা-৩ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী ‘মকবুল হোসেন ছাড়া কেউ ভোট করতে পারবে না’ বলে পথসভায় বক্তব্য দেওয়ায় কারণ দর্শাও নোটিস (শোকজ) দেওয়া হয়েছে এক ছাত্রলীগ নেতাকে।
সোমবার সকালে ওই আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধানি কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ তাজউল ইসলাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজকে এ নোটিস দেন।
রির্টানিং কর্মকর্তা ও পাবনা জেলা প্রশাসক মো. আসাদুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সবুজকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অথবা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে তাজউল ইসলামের কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে নোটিসে।
গত শনিবার আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা চাটমোহর উপজেলা সদরে নৌকার পক্ষে মিছিল করেন।মিছিল শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে পথসভায় বক্তব্য দেন সবুজ।
ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, “পাবনা-৩ আসনের (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ‘মকবুল হোসেন চাচা ছাড়া কেউ ভোট করতে পারবে না। যারা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান করবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম।
“কোনো ছাত্রনেতা যদি নৌকার বিপক্ষে অবস্থান করে তাহলে আমরা তাকে ছাত্রলীগে থাকতে দেবো না। শুধু ছাত্রলীগ কেন, ভবিষ্যতে যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের কোনো সংগঠনে আমরা জায়গা দেবো না।”
রোববার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ হলে তা নির্বাচনি অনুসন্ধানি কমিটির কমিটির নজরে আসে। পরে তারা স্ব-প্রণোদিত হয়ে নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের কারণে কেন সবুজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না-তা জানতে চেয়ে তলব করে নোটিস পাঠায়।
এ বিষয়ে মিজানুর রহমান বলেন, “আদালত আমার কাছে লিখিত ব্যাখা চেয়েছেন; আমি লিখিত জানাব।
তার ওইদিনের বক্তব্যকে ‘প্রতিপক্ষের লোকজন’ ভুলভাবে উপস্থাপন করেছেন বলেও দাবি এ ছাত্রলীগ নেতার।
