টাঙ্গাইলের বাপ্পী হত্যার বিচার শেষ হয়নি ১৯ বছরেও

২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর জেলা শহরের কলেজপাড়ায় গুলি করে ও কুপিয়ে বাপ্পীকে হত্যা করা হয়।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 20 Nov 2022, 01:48 PM
Updated : 20 Nov 2022, 01:48 PM

টাঙ্গাইলের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমিনুর রহমান খান বাপ্পী হত্যা মামলার বিচার ১৯ বছরেও শেষ হয়নি। 

২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর জেলা শহরের কলেজপাড়ায় গুলি করে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। 

আমিনুর রহমান খান বাপ্পী টাঙ্গাইলের-৩ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে; মৃত্যুর সময় তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

মামলাটি এখন সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছন। 

নিহতের ছোট ভাই টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা বলেন, তার বড় ভাই বাপ্পী ২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর রমাজান মাসের তারাবী নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। শহরের কলেজ পাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে।

টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পর একই বছরের ৬ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। ওই সমাবেশে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা যোগ দিয়ে বাপ্পীকে আওয়ামী লীগের রত্ন উল্লেখ করেন এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে এই হত্যার ন্যায় বিচারের প্রতিশ্রুত দেন। 

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মু. নাসির উদ্দিন বলেন, ২০০৩ সালের ২২ নভেম্বর মামলা রেকর্ড হওয়ার পর থেকেই আসামিরা ভিন্ন খাতে নেওয়ার ও সময় দীর্ঘ করার নানা চেষ্টা চালায়। এই মামলার মোট ২০ জন আসামির মধ্যে ১৭ জনের নামে ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি। ২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে শেষ সাক্ষীর জেরা চলমান রয়েছে । 

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বাসাইল-সখীপুর আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সাংবাদিকদের বলেন, এক সময়কার টাঙ্গাইলের উদীয়মান আওয়ামী লীগ নেতা বাপ্পীকে যারা হত্যা করেছে; তাদের প্রত্যেকের বিচার হওয়া জরুরি। 

বাপ্পীর মৃত্যু দিবসে সোমবার তার পরিবার ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শোকযাত্রা, কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, গণভোজ ও দোয়া মাহফিল।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক