খাটের নিচে নারীর অর্ধগলিত লাশ, মা-বোন আটক
পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে বড় এই নারী বাড়িতে মা ও এক বোনের সঙ্গে থাকতেন; ভাই পুলিশে চাকরি করেন। অপর দুই বোনের বিয়ে হয়েছে।
ফরিদপুর শহরের একটি বাড়িতে এক নারীর অর্ধগলিত লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের মা ও বোনকে আটক করেছে পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল জানান, রোববার সকালে পশ্চিম খাবাসপুর মিয়াপাড়ার এই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হলে এলাকাবাসী জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে খবর দেয়। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩৫ বছর বয়সী এই নারী অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ কন্সেটেবলের বড় মেয়ে। চার বোন ও এক ভায়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। ওই বাড়িতে মা ও এক বোনের সঙ্গে বসবাস করতেন; ভাই পুলিশে চাকরি করেন। তার অপর দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, মৃতদেহটি আনুমানিক সাত দিনের পুরনো। গন্ধ বের হওয়ার পরও মেয়েটির মা ও বোন ওই বাড়িতে বসবাস করতেন; রান্না করতেন; খাবার খেতেন।
“পুলিশ যখন বাড়ির ওই কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করে তখন তার মা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।”
এলাকাবাসীর বরাতে সুমন রঞ্জন বলেন, মৃতের মা ও এক বোন ‘অসামাজিক’ কাজে যুক্ত ছিলেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেন নিহত নারী। এটি হত্যার কারণ হয়ে থাকতে পারে।
ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের (৫৫) ও ছোট বোনকে (২৭) আটক করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
