Published : 21 Oct 2022, 01:26 AM
বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে খুলনা আওয়ামী লীগও নগরীতে তৎপর হয়েছে; এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যাতে বিশৃঙ্খলা না হয় সেজন্য সতর্ক করেছে নেতাকর্মীদের।
বিএনপির সমাবেশের আগের দিন শুক্রবার নগরীতে মিছিল ও সমাবেশ করবে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ। আর পরে বড় আকারে একটি সমাবেশ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। কবে ওই সমাবেশ হবে তা এখনও ঠিক হয়নি।
খুলনা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেন, খুলনা নগর ও জেলা আওয়ামী লীগ যৌথভাবে খুলনায় একটি মহাসমাবেশ করবে।
বিএনপির শনিবারের সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগ বা দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কটূক্তি করা হলে পরে আওয়ামী লীগের সমাবেশ থেকে তার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
তবে বিএনপির গণসমাবেশের আগের দিন শুক্রবার নগরীতে সমাবেশ ও মিছিল করবে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ বলে জানান নগর আওয়ামী লীগের এ নেতা।
শুক্রবার বিকেলে বেলা সাড়ে তিনটায় শিববাড়ী মোড়ে খুলনায় সরকারের উন্নয়ন প্রচারে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ওই সমাবেশ ও মিছিলে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা ছাড়াও সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নেবেন।
তবে শুক্রবার ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত সমাবেশে আসা মিছিল যেন বিএনপির সমাবেশস্থলের পাশ দিয়ে না যায়, সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সভায়।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত অধিকারী বলেন, বিএনপির সমাবেশের দিন খুলনা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করবেন। গত মঙ্গলবার বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় সমাবেশকে ঘিরে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, মানুষের জানমালের ক্ষতি না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক এবং সবাইকে সহনশীল অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।
শনিবার বিএনপির খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন খুলনা শহরের ডাকবাংলো ও ফেরিঘাট মোড়ের মাঝামাঝি সোনালী ব্যাংক চত্বরে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রস্তুতিও নিচ্ছে দলটি।
সমাবেশের অনুমতিও দিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)।
এদিকে বিএনপির প্রস্তুতির মধ্যেই সমাবেশের দিন ও আগের দিন বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে খুলনা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস মালিক সমিতি। এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে খুলনা জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন।
বিএনপির অভিযোগ, সমাবেশে যাতে বেশি লোকের সমাগম না হতে পারে, সে জন্য ষড়যন্ত্র করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারপরও বিভিন্ন জায়গা থেকে লাখো মানুষ সমাবেশে যোগ দেবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা। সমাবেশে এক লাখ লোক জমায়েতের পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।