২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

পণ্য পরিবহনে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে আগ্রহী ভুটান

বর্তমানে ভারতের হলদিবাড়ি ও নীলফামারীর চিলাহাটি হয়ে বাংলাদেশে চলাচল করছে আন্তঃদেশীয় ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস।

নীলফামারী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Nov 2022, 02:20 AM

Updated : 11 Nov 2022, 02:20 AM

বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভুটানের একটি প্রতিনিধি দল।

বর্তমানে ভারতের হলদিবাড়ি ও নীলফামারীর চিলাহাটি হয়ে বাংলাদেশে চলাচল করছে আন্তঃদেশীয় ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস ও পণ্যবাহী ট্রেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ভুটান সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ১৮ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল চিলাহাটি রেলপথ, স্টেশন ও লুপলাইন পরিদর্শন করে।

এডিবির বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ১৮ সদসস্যের প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন সে দেশের পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান শেরিং লাহাদন।

এর আগে পশ্চিমাঞ্চল রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে চিলাহাটি রেল স্টেশনের অতিথিশালায় তারা বৈঠক করেন।

এই রেলপথ ব্যবহারে মংলা বন্দরে সহজে বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি এবং চিলাহাটি স্থলবন্দর চালু হলে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আরও গতি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে ভুটান প্রতিনিধি দলের পক্ষে এডিবির কনসালট্যান্ট ফিরোজ আহমেদ বলেন, “ভুটান আমাদের বন্ধু প্রতিম দেশ, প্রতিনিধি দলটি চিলাহাটিতে ভিজিটে এসেছেন। আমাদের সরকার এবং এডিবি তাদেরকে সহযোগিতা করছেন। তারা এ পথে পণ্য আমদানি-রপ্তানির চিন্তাভাবনা করছেন। এ লক্ষ্যে এটি তাদের প্রিমিলারী ভিজিট।”

চিলাহাটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটির সাথে আমাদের সেই বৃটিশ আমল থেকে কানেকটিভিটি ছিল। আসাম এবং শিলিগুড়ি-দার্জিলিং এর সাথে কানেকটিভিটি ছিল। এখন ভুটান তাদের যে সকল বাণিজ্যগুলো করে এর মধ্যে ভুটান থেকে বোল্ডার, পাথরসহ অন্যান্য পণ্য আসে বাংলাদেশে সেগুলো এই রেল কানেকটিভিটির মাধ্যমে ব্যবহার করা যায় কিনা তা তারা দেখতে এসেছেন।”

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল বিভাগের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, “ভুটান-বাংলাদেশ বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র। ভুটান একটি ল্যান্ডলকড কান্ট্রি। তাদের বাণিজ্য করতে হয় ভারতে মধ্য দিয়ে। কলকাতা হয়ে শিলিগুড়ি-হলদীবাড়ি ঘুরে তাদের দেশে যেতে অনেক পথ অতিক্রম করতে হয়।”

তিনি বলেন, ভুটান যদি আমাদের মংলা পোর্ট ব্যবহার করে চিলাহাটি হয়ে ভারত হলদিবাড়ি দিয়ে হাসিমারা পর্যন্ত যেতে পারে তাহলে হাসিমারা থেকে তাদের বর্ডারে দূরত্ব মাত্র ১৬ কিলোমিটার। এই ১৬ কিলোমিটার পথ যদি তারা বাইরোডে পণ্য আনা-নেওয়া করে তাহলে তাদের বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য করা সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে।