Published : 17 Mar 2026, 04:21 PM
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হওয়ায় কুমিল্লা অংশে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যানবাহনের ধীরগতি কারণে যাত্রাপথ দীর্ঘ হচ্ছে। যদিও এখনও তীব্র যানজট তৈরি হয়নি।
এ মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৪ কিলোমিটার যানজটমুক্ত রাখাতে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি ৮০ জন রোভার স্কাউট সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়েছে। তারা কুমিল্লার আটটি পয়েন্টে সড়কের বিশৃঙ্খলা নিরসন এবং ঘরমুখী যাত্রীদের সহায়তা করবেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানা প্রাঙ্গনে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান রোভার স্কাউট সদস্যদের মাঝে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও জ্যাকেট বিতরণ করেন। পরে তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমতলী এলাকায় রোভার স্কাউটের সঙ্গে তাদের দায়িত্ব ও নির্দেশনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান বলেন, “মহাসড়কে নিয়মিত পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি এ বছর ঈদে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য কাজ করছে। এছাড়াও রোভার স্কাউটের ৮০ জন সদস্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে নিয়োজিত থাকবে।

মঙ্গলবার থেকে শুরু করে এবং ঈদের আট দিন পর্যন্ত রোভার স্কাউট সদস্যরা মাঠে থাকবেন বলে জানান তিনি।
ঈদের সরকারি ছুটি শুরু না হলেও মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘরমুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। দাউদকান্দি, গৌরিপুর, আমিরাবাদ, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, আমতলী, পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী, মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি ও জটলা রয়েছে।
ভোগান্তি খুব বেশি না থাকলেও যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় যাত্রীদের অভিযোগ রয়েছে।
ঢাকা-কুমিল্লা রুটের কিছু বাসে, বিশেষ করে রাস্তার মাঝখান থেকে ওঠা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। তবে টার্মিনাল থেকে যাত্রীরা ওঠার সময় অনেক বাস নিয়মিত ভাড়া নিচ্ছে।

ঢাকা থেকে কুমিল্লায় আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, “যারা টার্মিনাল থেকে টিকেট করে বাসে উঠছে তারা নিয়মিত ভাড়া দিয়ে উঠতে পারছে। কিন্তু যেসব বাসের টিকেট টার্মিনাল থেকে দিচ্ছে না, সেসব বাসগুলোতে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। রাস্তার মাঝখানে তাদেরকে কিছু বলেও লাভ হচ্ছে না।”
কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী যাত্রী নিশিতা মজুমদার বলেন, “বাসগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের এসব নজরদারি করা উচিত। না হলে নিরীহ মানুষজন ভুক্তভোগী হবে।”