Published : 22 Jun 2026, 01:04 AM
হযরত শাহজালালের (র.) মাজারের দানবাক্স সিলগালা নিয়ে আলোচনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার।
তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করে রোববার আদেশ জারি করা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বিকালে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে বৃষ্টির মধ্যে ‘সর্বস্তরের জনতার’ ব্যানারে মানববন্ধন করেন বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তারা সরওয়ার আলমের প্রত্যাহার আদেশ বাতিলের দাবি জানান।
একই দিন দেশ-বিদেশে অবস্থান করা সিলেটের ৬৭ নাগরিক বিবৃতি দিয়ে মাজারের দানবাক্স সিলগালা করার বিরোধিতা করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে তারা, মাজারে থাকা দানের ঐতিহাসিক তিনটি ‘ডেগ সিলগালা’ করা এবং ‘নিরাপত্তার জন্য’ আনসার সদস্য মোতায়েনের প্রশাসনিক পদক্ষেপকে ‘ঐতিহ্য ও মাজার সংস্কৃতিবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
ডিসি সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে সিলেট জেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার হয়রত শাহজালালের (র.) মাজারে নতুন কয়েকটি দানবাক্স স্থাপন করে।
সেই সঙ্গে মাজারে থাকা দানের ঐতিহাসিক তিনটি ‘ডেগ সিলগালা’ করে ‘নিরাপত্তার জন্য’ আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়।
পরে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাজারের ভক্তরা।
পরদিন শুক্রবার সিলেটের হযরত শাহপরাণ (র.) মাজার পরিদর্শন করে মাজারটির আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও মাদকের আসর বন্ধে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন ডিসি সারওয়ার।
এ নিয়ে নগরজুড়ে আলোচনার মধ্যেই রোববার তার বদলির আদেশ জারি হয়।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সিলেটের পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদা পাথর’ এলাকায় ব্যাপক পাথর লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের চোখের সামনে সেসময় শত শত টন প্রাকৃতিক পাথর রাতের আঁধারে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে। তখন এ নিয়ে দেশব্যাপী সোরগোলের মধ্যে সারওয়ার আলমকে সিলেটের ডিসি করা হয়।
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা র্যাবের নির্বাহী হাকিম হিসেবে অভিযান পরিচালনা করে একসময় দেশব্যাপী আলোচনায় এসেছিলেন।
তিনি ডিসি হিসেবে আসার পর পাথর সরানোর বিরুদ্ধেও অভিযানে নেমেছিলেন।
প্রায় ১০ মাস দায়িত্ব পালনের পর তাকে সরিয়ে নিল সরকার, যা নিয়ে আলোচনা চলছে রাজনৈতিকসহ নগরীর বিভিন্ন মহলে।
সিলেট মহানগর বিএনপির একজন নেতা বলেন, “এখানে দায়িত্ব পালনকালেও নানা আলোচনায় ছিলেন ডিসি সারওয়ার আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তার বদলি দাবি করেছিলেন মহানগর বিএনপির নেতারা। তারপর থেকেই স্থানীয় রাজনীতিকদের একটা অংশ তার বিরোধী ছিলেন। তবে সবাই না।”
মাজারে দানবাক্স সিলগালা করার বিষয়ে শাহজালাল (র.) এর মাজারের নেতৃত্বস্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা এটিকে ‘সংবেদনশীল’ হিসেবে তুলে ধরে কথা বলতে চাননি।
অপরদিকে নাম প্রকাশ করে বিএনপির কেউও কথা বলতে চান না।
‘দুর্নীতিবাজ-সুবিধাভোগী চক্র তার বিরুদ্ধে’
বিকালে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ‘রেনেসাঁ’ নামের একটি সংগঠনের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ এবং সঞ্চালনা করেন মাহফুজ বিন আবদুল হাফিজ। এতে বক্তব্য দেন- শামীমাবাদ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শামীম আহমদ, কাজিরবাজার মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, আম্বরখানা মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি জিয়াউর রহমান, সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, সৈয়দ সালিম কাসিমী, মারকাজুত তালিম ওয়াত তারবিয়ার পরিচালক মুফতি মিনহাজুস সিরাজ, আবদুল্লাহ আল মনসুর, আহমাদুল হক উমামা, আদিব আহমদ।
এ ছাড়া মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, সিলেটের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া এমন একজন জনবান্ধব ও কর্মঠ জেলা প্রশাসককে হঠাৎ করে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সিলেটের নাগরিক সমস্যা সমাধান, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।
তারা অভিযোগ করেন, ডিসি সারওয়ার আলম শহরের ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, অবৈধ দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরান (রাহ.) এর মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করায় একটি দুর্নীতিবাজ ও সুবিধাভোগী চক্র তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
বক্তারা বলেন, যারা বছরের পর বছর অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে, তারাই আজ একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তাকে সিলেট থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই বদলির আদেশ সেই অপচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ বলে সিলেটবাসী মনে করে।
বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিলেটবাসীর আবেগ ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে অবিলম্বে এই প্রত্যাহার আদেশ বাতিল করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহৎ আন্দোলন, গণসমাবেশ ও হরতালের মত কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
বক্তারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, সিলেটের স্বার্থে, সিলেটবাসীর দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে ডিসি সারওয়ার আলমকে বহাল রাখতে হবে। জনমতের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত সিলেটবাসী মেনে নেবে না।
‘ঐহিত্যে হস্তক্ষেপ করায় মানুষ মর্মাহত-ক্ষুব্ধ’
শাহজালাল (রহ.) এর মাজার শরিফ প্রাঙ্গণে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিপুল সংখ্যক পুলিশি উপস্থিতিতে নতুন দানবাক্স স্থাপন ও আগের ‘ডেগ’ ও দানবাক্স সিলগালা করার আকস্মিক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশে-বিদেশে বসবাসরত সিলেটের ৬৭ জন নাগরিক।
রোববার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপকে ‘ঐতিহ্য ও মাজার সংস্কৃতি-বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে নাগরিকরা বলেন, “শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ও স্বাধিকারী এই দরগাহে এ ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ স্বাধীন বাংলাদেশে অতীতে কখনো দেখা যায়নি। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, মাজারের দান-খয়রাত ও মানতের অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হোক- তা সবারই কাম্য। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি এখতিয়ার বা আদালতের নির্দেশনা ছাড়া, প্রশাসন কর্তৃক যে প্রক্রিয়ায় দরগাহর অভ্যন্তরীণ পরিচালনা ও দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে, তাতে সিলেটের সর্বস্তরের সচেতন জনসাধারণ গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। এই ঘটনা দরগাহ ও মাজার সংস্কৃতি-বিরোধী একটি বিশেষ মহলের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি পূরণের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে কি-না, তা জনমনে তীব্র সংশয় ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে।”
সুফিবাদের মূল দর্শন স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা বলেন, “আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে, পীর-আউলিয়াদের মাজার স্রেফ কোনো ইট-পাথরের কাঠামো কিংবা ওখানে থাকা দানবাক্স কিংবা ডেগ স্রেফ টাকা জমার উপকরণ নয়; এগুলো মূলত সুফি-সাধকদের মরমি প্রেমের পবিত্র আঙিনায় আত্মিক আশ্রয়ের জন্যে আসা মানুষের নিঃশর্ত নিবেদন ও ভালোবাসা। যা কোনো জাগতিক পরিমাপ বা টাকার অঙ্কে মাপা অসম্ভব। সুফিবাদের এই নিঃশর্ত প্রেম ও আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার আমাদের সংস্কৃতির এবং আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।”
বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, “যে কঠোর ও সামরিক কায়দায় এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তা সিলেটের শতাব্দীপ্রাচীন সৌহার্দ্যপূর্ণ ঐতিহ্য, সামাজিক বাস্তবতা এবং মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সংঘাতপূর্ণ। যেকোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বা আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা এবং সামাজিক মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির বিষয়গুলো সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা এই ঘটনার ক্ষেত্রে চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে।”
সিলেটের অভিভাবকত্ব ও সামাজিক শিষ্টাচারের কথা বলে নাগরিকরা বলেন, “সিলেট কোনো অভিভাবকহীন জনপদ নয়। এ অঞ্চলের রয়েছে নিজস্ব সামাজিক, আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য। হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) এর দরগাহকে ঘিরে মানুষের বিশ্বাস, মরমি লোকাচার ও সুফি সংস্কৃতির চর্চা এই অঞ্চলের আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অতএব, দরগাহর স্পর্শকাতর বিষয়ে এমন কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দরগাহর কর্তৃপক্ষ, সুফিবাদী আলেম-উলামা-বিশেষজ্ঞগণ, সুশীল সমাজ এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও ঐকমত্যে পৌঁছানো ন্যূনতম শিষ্টাচারের অংশ ছিল। এক্ষেত্রে এটা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠেছে।”
তারা বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা যেমন জরুরি, তেমনি তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটিও হতে হবে আইনসম্মত, অংশগ্রহণমূলক এবং জনআস্থাভিত্তিক। বন্দুকের পাহারায় মানুষের বিশ্বাস ও সংবেদনশীল অনুভূতিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে আঘাত করে কোনো শুভ বা মহৎ উদ্যোগও কখনো কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনে না।
“পীর-আউলিয়াদের দরগাহ পর্যটন কেন্দ্র নয়, সুফি সংস্কৃতিতেই দরগা পরিচালিত হয়। তাই দরগা জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সকল মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে ৭০০ বছর ধরে তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। ফলে দরগা নিয়ে সংবেদনশীল পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সামাজিক ঐকমত্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার আমাদের সবার যৌথ সম্পদ; তা রক্ষার দায়িত্বও আমাদের সবার।”
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, “আমরা সিলেটের সম্মানিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, দরগাহ কর্তৃপক্ষ এবং নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানাই- যৌথ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির একটি সম্মানজনক, গ্রহণযোগ্য ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান বের করে করতে হবে। ঐতিহ্য রক্ষা, আইনের শাসন এবং জনআস্থা- এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয়ই হওয়া উচিত এই মুহূর্তের প্রধান অগ্রাধিকার। আমরা অবিলম্বে ঐতিহ্যবাহী দরগাহ শরিফ থেকে প্রশাসনের বাক্স, তালা, পুলিশি বেষ্টনী প্রত্যাহার এবং এই উদ্ভূত সংকটে সিলেট অঞ্চলের সকল জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের সর্বোচ্চ মহলের আশু ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বিশিষ্ট নেফ্রোলজিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা এমিরেটাস অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী তবারক হোসেন, সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুল, সাবেক অতিরিক্ত এআইজি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম, প্রবীণ রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য, প্রবাসী সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন চৌধুরী রানা, প্রকৌশলী হাবিব আহসান বাবলু, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসেন, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ খোন্দকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হ্যারল্ড রশীদ।
সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরীন আক্তার ও সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, ধরা সিলেটের আহ্বায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী (বাহার), ডা. নাসিম আহমদ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মো. তারেক আজাদ, সাকী চৌধুরী, জুবায়ের আহমদ চৌধুরী (সিলেট বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন), আনোয়ার হোসেন চৌধুরী (জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা), বদরুল হোসেন খান (জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা), অধ্যাপক রানা ফেরদৌস, জুয়েল চৌধুরী, মুহিবুর রহমান মুহিব (গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন), ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল, আতাউর রহমান সেলিম (বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্ক), নিসর্গবিদ স্থপতি তুগলক আজাদ, নাজমুল হক (আইডিয়া), বজলে মোস্তফা রাজী (এফআইভিডিবি)।
শাবিপ্রবির অধ্যাপক নাজিয়া চৌধুরী, অধ্যাপক এম এ জি এ হায়দার, সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ এমদাদুল হক ও সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস; লিডিং ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক এম আশরাফুল আল হক, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকের সদস্য ড. আনিছুর রহমান আনিছ, প্রাক্তন রোটারি গভর্নর রোটারিয়ান শহীদ আহমদ চৌধুরী, সিপিবি নেতা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও খায়রুল হাসান; বাংলাদেশ জাসদের অ্যাডভোকেট জাকির আহমদ ও নাজাত কবির; বাসদের আবু জাফর ও প্রণব জ্যোতি পাল; বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সিরাজ আহমদ, সাম্যবাদী আন্দোলনের অ্যাডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়, বাসদ (মার্কসবাদী) এর সঞ্জয় কান্ত দাস, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন এবং চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নাজিকুল ইসলাম রানা।
এ ছাড়া স্বাক্ষর করেছেন প্রবাসী ব্যবসায়ী ফকু চৌধুরী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামসুল বাছিত শেরো, যুক্তরাজ্যের পূর্বরাগ থিয়েটারের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মুরাদ খান, প্রবাসী লেখিকা জেসমিন চৌধুরী, প্রবাসী শিল্পী আমির মোহাম্মদ, পরিবেশবাদী সংগঠন অমরাবতীর চেয়ারম্যান সেবুল চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছামির মাহমুদ, লেখক ও প্রকাশক কবির য়াহমদ, প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ উদবা ও মাহবুব রহমান, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সদস্য সৈয়দ জয়নুল শামস, সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি আ ন ম জিয়া, যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক ও কবি হামিদ মোহাম্মদ, ব্রিকলেন নিউজডটকম-এর সম্পাদক জুয়েল রাজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সোবহান চৌধুরী ও ব্যারিস্টার সীমা করিম এবং সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম।
আরও পড়ুন:
শাহপরাণ মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও মাদক বন্ধের নির্দেশ সিলেট ডিসির