স্কুলছাত্রীকে পালাকরে ‘ধর্ষণ’: ৫ জনের ১০ বছরের আটকাদেশ

২০১৩ সালে মেয়েটিকে অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে অপহরণের পর পাশের একটি গম ক্ষেতে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়।

নাটোর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 Jan 2024, 10:57 AM
Updated : 25 Jan 2024, 10:57 AM

১১ বছর আগে নাটোরের বড়াইগ্রামে দশম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে পাঁচ যুবককে দশ বছরের আটকাদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের শিশু আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহীম এ রায় ঘোষণা করেন বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আনিসুর রহমান জানান।

দণ্ডিতরা হলেন-বড়াইগ্রামের চান্দাই এলাকার মাহাবুলের ছেলে মো. মুসাব্বির রহমান ওরফে পল্লব (৩১), একই এলাকার মো. আলাউদ্দিনের ছেলে মো. নুরসালন ওরফে শোভন (২৯), রাজেন্দ্রপুর এলাকার মো. মিজাউলের ছেলে মো. টুটুল (৩১), একই এলাকার মো. আ. রহিমের ছেলে সাইদুর রহমান (৩০) ও ওই এলাকার মো. ওম্বর আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে রকিব (৩০)।

মামলার বরাতে আনিসুর জানান, আসামিরা প্রায়ই রাস্তাঘাটে ওই ছাত্রীকে বিরক্ত করত। এর জেরে ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে মেয়েটিকে অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে অপহরণের পর পাশের একটি গম ক্ষেতে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ করে তারা।

গভীররাতে ঘুম ভেঙে মেয়েটিকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার বাবা। এক পর্যায়ে মেয়েকে গম ক্ষেতে জামা-কাপড় ছেঁড়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরদিন তিনি বাদি হয়ে বড়াইগ্রাম থানা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ৫ মে বড়াইগ্রাম থানার এসআই মো. নূর আলম পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিলে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, “বয়সটা ঠিক থাকলে আসামিদের নিশ্চিত ফাঁসির আদেশ হত। মামলা চলার সময়ে আদালতে বিভিন্ন সার্টিফিকেট দেখিয়ে তারা বয়স কমায়। এ কারণে মামলাটি শিশু আদালতে চলে যায়।”