শাবিতে ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মীর মারামারি, কক্ষ ভাঙচুর

সহকারী প্রক্টর বলেন, আহত শিপনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

শাবি প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 30 Jan 2024, 03:34 AM
Updated : 30 Jan 2024, 03:34 AM

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীর মধ্যে মারামারি ও হলের কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে; এ ঘটনায় এক ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ পরাণ হলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সহকারী প্রক্টর মিজানুর রহমান।

আহত মো. শিপন হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শাবির শাখা ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী নাজমুল হুদা শুভ বিরুদ্ধে শিপন হাসানকে মেরে আহত করার অভিযোগ ওঠেছে। শুভ ছাত্রলীগের একটি অংশের নেতৃত্ব দেন।

সহকারী প্রক্টর বলেন, আহত শিপনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা ঘটনার পর পরই সেখানে যাই। এরপর দুই পক্ষকেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে এসেছি। হল কর্তৃপক্ষ সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে। এরপর যদি হল প্রশাসন মনে করে তখন প্রক্টরিয়াল বডি সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।’’

আহত শিপন সাংবাদিকদের বলেন, “হলে উনার (শুভ) সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উনিই আমাকে প্রথম চড় মারেন। এরপর উনার সঙ্গে আমার হাতাহাতি হয়।

“এর এক পর্যায়ে উনি আমাকে কিল-ঘুষি এবং ক্যান্টিনের চেয়ার দিয়েও আঘাত করেন। এ সময় আমার মাথা, পিঠে এবং হাতে ব্যথা পাই। আমি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”

ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি কিছু বলতে পারি না। মারধর করার পর আমাকে মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে আমি এখানেই আছি।”

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হুদা শুভ বলেন, “আমি ক্যান্টিন থেকে খাবার নিয়ে বের হচ্ছিলাম। তখন খলিলুর ভাইয়ের সমর্থক শিপনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তখন সে আমাকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়।

“এর একটু পরই তার পক্ষের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন সমর্থককে নিয়ে আমার কক্ষে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। সেখানে জানালার কাঁচ এবং একটি সাউন্ড বক্স ভেঙে ফেলে।”

এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ হল প্রাধ্যক্ষের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শাহ পরাণ হলের ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষ কৌশিক সাহা বলেন, “ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার জরুরি মিটিং ডাকা হয়েছে। তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

[প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক]