Published : 28 Jan 2026, 03:50 PM
গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছোট ভাই মো. তরিকুল ইসলাম সজল মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদ আশিক কবির বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আশিক কবির বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার একটি লিখিত অভিযোগ আমার কাছে এসেছে। আমি সেটি দায়িত্বরত বিচারিক কর্মকর্তা ও সিনিয়র সিভিল জজের কাছে জমা দেওয়ার জন্য অভিযোগকারীকে বলেছি। তবে বিষয়টি আমি অবগত আছি।”

এর আগে সোমবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বালিয়াকান্দি বাজার এলাকা থেকে জলিরপাড় ব্রিজ পর্যন্ত এবং গোপালগঞ্জ-১ আসনের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দুপাশ এবং নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে টাঙ্গানো ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছোট ভাই মো. তরিকুল ইসলাম সজল অভিযোগে লিখেছেন, “আমার ভাই আশ্রাফুল আলম শিমুল মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং পৌর মেয়র ছিলেন। তিনি সামাজিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তি। বর্তমানে তিনি একটি রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
“এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী। তার নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার পাশে বাঁশের চাটিতে টাঙ্গানো ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় আমাদের প্রচার মাইক বাজাতে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। এসব কার্যকলাপ আচরণবিধি বর্হিভূত এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টির তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখা জরুরি।”

তিনি বলেন, “প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ কাজ করেছে। তবে এই কাজ আমাদের বিজয়কে থামাতে পারবে না। বিজয় পতাকা আমাদেরই হবে।”
দায়িত্বরত নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা ও সিনিয়র সিভিল জজ মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে সার্বিক বিবেচনায় অভিযোগের সত্যতা নিরুপণের লক্ষ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রমাণ সংগ্রহের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।”
এছাড়া বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।