১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
“নগরীর সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ বিলবোর্ড বা ব্যানার সহ্য করা হবে না,” বলেন মেয়র।
এর আগে সকালে কয়েকজন কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং ‘নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়’ লেখা ব্যানার টানান।
তারা কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং ‘নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়’ লেখা একটি ব্যানার প্রধান ফটকের সামনে ঝুলিয়ে দেন।
মঙ্গলবার ভোর থেকে পতাকা ও ব্যানার দেখা গেলেও কারা ও সঠিক কখন এসব টানানো হয়েছে সেটা কেউ বলতে পারছে না।
“এই হামলা ও নৈরাজ্যের পেছনে থাকা ব্যাংক ডাকাত ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের আইনগতভাবেই কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
“প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ কাজ করেছে।”
ইসি প্রথমে স্বউদ্যোগে সরাতে বলবে, স্থানীয় সরকারও সরিয়ে নেবে। এরপর সতর্ক করবে। না মানলে প্রার্থী হলে ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
“অনুরোধ করছি, দয়া করে শহরটিকে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে আর নোংরা করবেন না,” বলেন এজাজ।