১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নিক্সন চৌধুরীসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতার এজাহার

ওসি বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এজাহারটি তদন্ত করে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হবে।

নিক্সন চৌধুরীসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতার এজাহার
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন ঘিরে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতমূলক আচরণের’ অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), যার বিরুদ্ধে একজন সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন ঘিরে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতমূলক আচরণের’ অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), যার বিরুদ্ধে একজন সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

ফরিদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Sep 2024, 12:08 AM

Updated : 26 Aug 2026, 10:24 AM

আন্দোলনে হামলা ও হুমকির অভিযোগে ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করেছেন স্থানীয় এক ছাত্রদল নেতা। 

সোমবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান ওরফে তাসকিন রাজু থানায় এজাহারটি দায়ের করেন বলে জানান ভাঙ্গা থানায় ওসি মো. মামুন আল ইসলাম।

এজাহারে নিক্সন চৌধুরী, জেলা পরিষদের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেনসহ ১১০ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ওসি বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এজাহারটি তদন্ত সাপেক্ষে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে।

এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৩ অগাস্ট বেলা ১২টার দিকে বাদীসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কৈডুবি-সদরদী গ্রামের রেল ক্রসিংয়ের পাকা রাস্তায় আন্দোলনে ছিলেন। তখন এজাহারনামীয় আসামিরা ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জন ধারালো অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনে বাধা দেন। 

এ সময় তাদের হাতে থাকা পিস্তল ও শর্টগান উঁচু করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন প্রতিহত করার চেষ্ট করেন। 

কিন্তু আন্দোলনকারীরা সরে না যাওয়ায় আসামি শাহাদাৎ হোসেনের হুকুমে কয়েকজন পিস্তল ও শর্টগান দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালায়। 

ভবিষ্যতে আন্দোলন করলে ঘরে ঘরে গিয়ে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেন আসামিরা। 

এ বিষয়ে জানতে নিক্সন চৌধুরী ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। 

ফরিদপুর সদর সার্কেল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) এর দায়িত্বে থাকা মো. সালাহ্ উদ্দিন বলেন, “শিগগিরই তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”