১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপ সৈকতে পর্যটকদের ভিড়

নাফ নদীর জেটি, ঘোলার চর, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠেছে।

টেকনাফ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Mar 2026, 05:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:15 PM

রোজার ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারের টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপ সমুদ্র সৈকতে ভিড় করছেন ভ্রমণপ্রেমীরা। 

মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা এই জনপদ এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। নাফ নদীর জেটি, ঘোলার চর, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠেছে এবং প্রতিদিন দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।

শনিবার বিকালে টেকনাফ সমুদ্র সৈকত ও শাহপরীর দ্বীপ জেটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নারী-পুরুষের বেশ উপস্থিতি। তাদের বেশিরভাগই পর্যটক। তারা জেটির শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে নাফ নদীর ওপারে মায়ানমারের রাখাইন পাহাড়ের ছবি তুলতে ব্যস্ত।

জেটির একটি বড় অংশ নদীর জলে বিস্তৃত হওয়ায় সেখানে দাঁড়ালে মনে হয় যেন সরাসরি নাফ নদীর বুকেই অবস্থান করছেন দর্শনার্থীরা।

এখানে নাফ নদী ও সমুদ্রের মিলনস্থল, পাহাড়ের সবুজ আর জেলেদের জীবন- সব মিলিয়ে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেয় পর্যটকদের। কেউ মাছ ধরেন, কেউ সাম্পান নিয়ে নদীতে ঘুরে বেড়ান- এই জীবনধারাও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাফ নদী, ছোট নৌকা আর মিয়ানমার পাহাড়ঘেরা পরিবেশ শিশুদেরও বেশ আনন্দ দিচ্ছে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে এমন শান্ত পরিবেশ সত্যিই প্রশান্তি এনে দেয়। 

পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের তীরজুড়ে সারিবদ্ধ নৌকা আর পূর্বে নাফ নদীর পাড়- এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে দেখা যায় সমুদ্র, নদী আর পাহাড়ের অপূর্ব সমন্বয়। পরিষ্কার আকাশে এখান থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আভাসও পাওয়া যায়।