০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ডোবায় মিলল নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ, প্রতিবেশীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

শরীয়তপুরে তিন বছরের সোয়াইফ প্রতিবেশী অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় বলে জানান স্বজনরা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 03 Oct 2026, 06:53 PM

Updated : 03 Oct 2026, 06:53 PM

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় নিখোঁজের ছয় ঘণ্টা পর তিন বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি গলাকাটা পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশীর বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাসন এলাকার ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) শামসুল আরেফীন।

নিহত সোয়াইফ হোসেন ওই এলাকার সেলিম সরদার ও শিমুলি দম্পতির সন্তান।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সোয়াইফ প্রতিবেশী অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে বের হয়। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে কোথাও না পেয়ে খুঁজতে থাকেন স্বজনরা। এক পর্যায়ে তাকে না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই এলাকার আবু আলেম শিকদারের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেন।

স্বজনদের অভিযোগ, প্রতিবেশী আলী আকবর সঙ্গে সেলিম সরদারের পরিবারের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটিকে হত্যার পর বস্তাবন্দি করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা আলী আকবরের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। পরে এ ঘটনায় আলী আকবর শিকদারের ছেলে রাসেল শিকদারকে আটক করে পুলিশ।

শিশুটির বাবা সেলিম সরদার অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলেকে ওরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”

এ ঘটনার পর থেকে আলী আকবরের পরিবারের কোনো সদস্য বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘটনার তদন্ত চলছে জানিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আরেফীন বলেন, যারা নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।