Published : 26 Mar 2026, 12:41 AM
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান এবং তার সাত বছরের ভাগ্নে তামজিদ।
রাইয়ানের ডাক্তার বড় বোন নুসরাত জাহান খান সাবাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা গেলেও তাদের মা রেহেনা আক্তারকে (৫৯) বাঁচানো যায়নি, উদ্ধারকর্মীরা তার লাশ তুলে এনেছেন।
অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র রাইয়ান একজন বিতার্কিক। তিনি রাজবাড়ী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি।
ঈদের ছুটি শেষে মা, বোন ও ভাগ্নেকে নিয়ে রাজবাড়ী থেকে বাসে করে ঢাকার বাসায় ফিরছিলেন রাইয়ান। বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।
রাইয়ানের বন্ধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মীর্জা সাকি জানান, দুর্ঘটনার পর যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রাইয়ানের মা একজন।
“রাইয়ানের বড় বোন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাইয়ান আর তার তার ভাগ্নে তামজিদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।”
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা।
“কয়েকজনকে উদ্ধার করা গেলেও আমাদের রাইয়ানের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। রাইয়ান ও তার ভাগ্নে এখনো নিখোঁজ।”