Published : 06 Jun 2026, 05:19 PM
প্রায় ২২ ঘণ্টার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। আগের দিন বিকাল ৪টা থেকে এ যানজট শুরু হয়।
শনিবার দুপুর ২টার পর মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানান এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মো. শরিফ।
বাস চালক ও যাত্রীরা জানান, শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে যানজট শুরু হয়। পরে রাতে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পৌলি পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।

ঈদ শেষে রাজধানীতে ফেরা মানুষজন সময়মতো কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রচণ্ড গরমে গাড়িতে বসে থাকতে হয় তাদের। বেশি সমস্যায় পড়েছিল বৃদ্ধ, শিশু ও মহিলারা।
অন্যদিকে কাঁচামালবাহী ট্রাক সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে গাড়িতেই মালামাল নষ্টের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
সকালে যানজটে আটকে থাকা সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মাছ ব্যবসায়ী হামিদ মিয়া বলেন, “ভোর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি যমুনা সেতু পার হয়ে আটকে আছি। মাছ নিয়ে টাঙ্গাইলে বিক্রি করব। এখনো যেতে পারছি না।”

আগের দিন শুক্রবার সকাল থেকে যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড়ে সিরাজগঞ্জ অংশে যানজট ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে মানুষকে। যানবাহনের চাপের মধ্যে যমুনা সেতুতে ২৩ ঘণ্টায় ছোট-বড় ২৪টি দুর্ঘটনার ঘটে।
এর মধ্যে ছয়টি দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজে রেকার ব্যবহার করতে হয়েছে। কখনো সেতুর দুই লেন, কখনো এক লেন বন্ধ রাখতে হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সেতুর দুই পাড়েই।