বান্দরবান সীমান্তে খুলছে বন্ধ ৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের কারণে ২৯ জানুয়ারি এসব বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করেছিল প্রশাসন।

বান্দরবান প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 26 Feb 2024, 03:11 PM
Updated : 26 Feb 2024, 03:11 PM

সীমান্তের পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’ হওয়ায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বন্ধ থাকা পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। 

আগামী বুধবার থেকে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হবে বলে সোমবার সন্ধ্যায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ত্রিরত্ন চাকমা জানিয়েছেন। 

বিদ্যালয়গুলো হলো- উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিমকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

শিক্ষা কর্মকর্তা ত্রিরতন চাকমা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ঘুমধুম সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কারণে সাময়িক বন্ধ থাকা পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুধবার থেকে নিয়মিত ক্লাস চলবে।” 

তুমব্রু পশ্চিমকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, “আজকে জেলা প্রশাসন থেকে ফোন করে জানানো হয়েছে যে, বুধবার থেকে আগের মত ক্লাস চলবে। সীমান্তের পরিস্থিতি এখন ‘স্বাভাবিক’। 

“এখনও মাঝে মাঝে হঠাৎ করে সীমান্তের ওপারে গুলির শব্দ পাওয়া যায়; তবে আগের মত নয়। এরকম চলতে থাকবে।” 

জানুয়ারি শেষে দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনা ও আরাকান আর্মিদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ২৯ জানুয়ারি সীমান্ত এলাকার কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়। তবে কিছুদিন স্কুল খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল না। 

পরে সীমান্তে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঘুমধুম ইউনিয়নের পাঁচটি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। 

সোমবার বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

আরও পড়ুন:

মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে দুজন আহত, শিক্ষার্থীশূন্য স্কুল

মিয়ানমারের ১৪ সীমান্তরক্ষী পালিয়ে বাংলাদেশে