Published : 19 Mar 2026, 05:28 PM
চাঁদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও উপদেষ্টা জি এম ফজলুল হকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়। এতে বিপুল মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
জানাজায় ইমামতি করান বাবুরহাট জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম মুফতি ফারুক আহমেদ।
এ সময় স্মৃতিচারণ করে সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মমিনুল হক, সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সলিমুল্লাহ সেলিম এবং ফজলুল হকের ছোট ছেলে ব্যারিস্টার জিয়াউল হক জিকু বক্তব্য দেন।
নামাজের জানাজা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি দেওয়ান মো. শফিকুজ্জামান। পরে বাবুরহাট বাজারে অবস্থিত ফজলুল হকের বাড়ি হক মহল মসজিদের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে বুধবার বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ফজলুল হকের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
ফজলুল হক মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই রাজনীতিবিদের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
ফজলুল হকের বড় ছেলে জিয়াউল হক জিকু জানিয়েছিলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।
চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের তরপুরচণ্ডী গ্রামের মিছির আলী গাজীর ছেলে ফজলুল হক সপরিবারে ঢাকাতেই থাকতেন। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ফজলুল হক। এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দীপু মনির কাছে হেরে যান তিনি।
সংসদ সদস্য থাকাকালে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন ফজলুল হক।