Published : 18 Mar 2026, 02:37 PM
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য জিএম ফজলুল হকের নামাজে জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরে তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বুধবার দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র ইমাম মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জানাজার আগে জি এম ফজলুল হকের ছেলে পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং তার বাবার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও চাঁদপুরবাসীর প্রতি সমবেদনা জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জি এম ফজলুল হক ‘সৎগুণের অধিকারী’ ছিলেন এবং দেশের সেবায় তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।
স্পিকার ছাড়াও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এবং হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুও,
সংসদ সচিবালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা, অতিরিক্ত সচিব (এফঅ্যান্ডপিআর) এবং অতিরিক্ত সচিব (আইপিএঅ্যান্ডএস) ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
জানাজায় জাতীয় সংসদের সদস্য, সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসসহ সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জি এম ফজলুল হক মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই রাজনীতিবিদের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
ফজলুল হকের বড় ছেলে জিয়াউল হক জিকু জানিয়েছিলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।
চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের তরপুরচণ্ডী গ্রামের মিছির আলী গাজীর ছেলে জিএম ফজলুল হক সপরিবারে ঢাকাতেই থাকতেন। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ফজলুল হক। এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দীপু মনির কাছে হেরে যান।
সংসদ সদস্য থাকাকালে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন জিএম ফজলুল হক।