স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪
কুমিল্লা বরুড়া থেকে চান্দিনা উপজেলায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় পুলিশ।
কুমিল্লা বরুড়া থেকে চান্দিনা উপজেলায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে স্বামীর কাছ থেকে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯- এ ফোন পেয়ে সোমবার ভোরে উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রাম থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার ও চারজনকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন চান্দিনা থানার ওসি আতিকুর রহমান।
এ ঘটনায় এদিন সকালে ভুক্তভোগী নারী পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মেহেদী হাসান তারেক, মো. আশিক, মো. আরিফ এবং মো. ইসমাইল। তারা উপজেলার মাদারপুর ও কামারখোলা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বরাতে ওসি আতিকুর বলেন, রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রী ইজিবাইকে করে চান্দিনার একটি গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলের। পথে তাদের ইজিবাইকটির চার্জ শেষ হয়ে যায়। এরপর তারা ইজিবাইকটি ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
তিনি বলেন, “রাত ১টার দিকে ওই দম্পতি কামারখোলা-এওয়াজবন্দ সড়কে পৌঁছালে একদল বখাটে তাদের পথরোধ করে। বখাটেরা স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে দাবি করেছেন ওই নারী।
“ভোররাতে ভুক্তভোগী স্বামী তার স্ত্রীকে ফেরত চাইলে বখাটেরা এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নিরুপায় হয়ে স্বামী তার আত্মীয়-স্বজনদের বিষয়টি জানান এবং তাৎক্ষণিক ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান।”
ওসি আতিকুর বলেন, খবর পেয়ে ভোর ৫টার দিকে কামারখোলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করে চান্দিনা থানা-পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকিরা পালিয়ে যায়।
তিনি বলেন, সকালে ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা করেছেন। ধর্ষণের অভিযোগ করা মামলায় আটকদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ ছাড়া ভুক্তভোগী নারীর শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
